এসআইআরের (SIR) মাধ্যমে বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার প্রতিবাদে ধর্মতলায় ধর্না দিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। শুক্রবার রাতভর তিনি একাই ছিলেন মঞ্চে। শনিবার সকাল সাড়ে দশটা থেকে দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। এদিন যুবসাথী (Yuva Sathi) প্রকল্প নিয়ে বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই মঞ্চে সংস্কৃতিক পরিবেশনায় একের পর এক সঙ্গীতানুষ্ঠান ‘জয়ী’ (Joyee Band)ব্যান্ডের। দলীয় নেত্রীর অনুরোধে এদিন খালি গলায় গান গেয়ে শোনান রাজ্যসভার সাংসদ দোলা সেনও (Dola Sen)।

‘জয়ী’ ব্যান্ডের সদস্যরা এদিন শুরুতেই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বার্তা দেন গানে গানে। তাঁদের কন্ঠে ধ্বনিত হয় ‘জয় বাংলার জয়’ গানটিও। ‘বাঁধ ভেঙে দাও’, ‘ভারত আমার ভারতবর্ষ’-র মতো দেশাত্মবোধক গানও পরিবেশন করেন তাঁরা। এদিন ‘সংগ্রাম’ গানের ইতিহাসের কথা তুলে ধরেন তৃণমূল সুপ্রিমো। মাঝেমধ্যেই তাঁকে গলা মেলাতেও দেখা যায়। এরপর মমতা মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে বলেন, ‘জয়ী ব্যান্ডের সদস্যরা অনেকক্ষণ ধরে গান গাইছে ওদের একটু সামান্য বিশ্রাম প্রয়োজন তাই এবার গান গাইবেন দোলা সেন।’ নিজের অনশন কর্মসূচির সময়ের কথা মনে করিয়ে তখন দোলার গান গাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। প্রতুল মুখোপাধ্যায়ের মুখোপাধ্যায়ের ‘লড়াই করো লড়াই’ গানটি গেয়ে শোনান দোলা। এরপর উদাত্ত কণ্ঠে গেয়ে ওঠেন ‘যত হামলা কর সব সামলে নেব’, সলিল চৌধুরীর ‘হেই সামালো’ও গেয়ে শোনান। এদিন মঞ্চে যখন সংগীত পরিবেশন অনুষ্ঠান চলছে তখন বাংলা সংস্কৃতির কথা স্মরণ করার মমতা। তুলে ধরেন রবীন্দ্র -নজরুল থেকে রজনীকান্ত- অতুল প্রসাদের কথাও। ‘মুক্তিরও মন্দিরও’ গানের আগে স্মৃতির সরণি বেয়ে মোহিনী চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।

–

–

–

–

–

–

–

–
–

