Monday, May 11, 2026

কোথায় আবেদন করব জানি না: বাদ নাম! ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি

Date:

Share post:

বাংলায় লক্ষ লক্ষ ভোটারের নাম সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশের পর বাদ পড়েছে। সেই বাদের তালিকায় এবার কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সহিদুল্লা মুনসি (Sahidullah Munshi)। যে কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় আধিকারিকরা রাজ্যের ভোটারদের অ্যাডজুডিকেশনের (adjudication) যাচাই করছেন, সেই বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের (judicial officer) হাতেই এবার বাদ পড়লেন প্রাক্তন বিচারপতি (former justice)। ঘটনায় একদিকে যেমন ক্ষুব্ধ তিনি, সেইসঙ্গে প্রশ্ন তুলেছেন, ট্রাইবুনাল (Tribunal) নিয়ে। তাঁর দাবি, খাতায় কলমে আবেদন করার জায়গা থাকলে আদৌ সেটা নেই।

রাজ্যের এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি, যাঁর বেঞ্চে রাজ্যের এসআইআর প্রক্রিয়া বিচারাধীন, সেই বিচারপতি জয়মাল্য বাগচির নাম ভোটার তালিকায় ভুল এসেছিল। তবে এবার কলকাতা হাই কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি সহিদুল্লা মুনসির নামই অ্যাডজুডিকেশনের তালিকায় চলে যায়। এবার সেই অ্যাডজুডিকেশন তালিকার সমাধান হওয়ার পরে দেখা গেল তাঁর নাম বাদ পড়েছে তালিকা থেকে।

নাম বাদ পড়ার (deleted) কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে তাঁর নাম পাওয়া যায়নি, অর্থাৎ নট ফাউন্ড। অথচ প্রাক্তন বিচারপতির দাবি, খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর তাঁর, তাঁর স্ত্রী ও তাঁদের বড় ছেলের নাম তালিকা না থাকায় তাঁরা যাবতীয় নথি যাচাইয়ের জন্য পেশ করেন। একবার নয়, এন্টালি দফতরে একাধিকবার সেই নথি তাঁরা পেশ করেছেন বলে জানান তিনি।

যদিও বর্তমানে বাংলার ওয়াকফ বোর্ডের চেয়ারপার্সন সহিদুল্লাহ মুনসি জানান, তিনি তাঁর বিচারপতি পদে থাকার কোনও নথি পেশ করেননি। তবে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকায় থাকা ১৩ নথির অন্যতম পাসপোর্টের নথিও তিনি পেশ করেছিলেন।

এরপরেও অ্যাডজুডিকেশনের (adjudication) যাচাই প্রক্রিয়ার পরে তাঁর নাম নেই (deleted) ভোটার তালিকায়। এরপর কী করবেন তিনি, সেখানেই প্রশ্ন প্রাক্তন বিচারপতির। তাঁর প্রশ্ন, উনিশ সদস্যের যে ট্রাইবুনাল গঠিত হয়েছে তা খাতায়-কলমে রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে তার অস্তিত্ব নেই। ফলে কোথায় গিয়ে ভোটার তালিকায় যুক্ত হওয়ার আবেদন করতে হবে, তা এখনও তিনি বুঝতে পারছেন না।

আরও পড়ুন : শুক্রবার দ্বিতীয় সাপ্লিমেন্টারি তালিকা, শুরু ট্রাইবুনাল গঠনের প্রক্রিয়াও 

কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রাক্তন বিচারপতি সহিদুল্লাহ মুনসি, ২০১৩ সাল থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিচারপতি পদে ছিলেন। তিনি ২০০০ সাল থেকে কলকাতার ভোটার। ২০০২ সালের ভোটার তালিকাতেও তাঁর ও তাঁর স্ত্রীর নাম ছিল। এরপরেও বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের হাতেই বিবেচনাধীন থেকে নাম কিভাবে বাদ পড়ল তা নিয়ে বিস্মিত প্রাক্তন বিচারপতি।

Related articles

নবান্নের বৈঠকে মনোজ আগরওয়াল! প্রশ্ন উঠতেই মনোজকে মুখ্যসচিব ঘোষণা রাজ্যের

নবান্নের প্রশাসনিক বৈঠকে উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের মুখে পড়লেন রাজ্যের নবনিযুক্ত মুখ্যসচিব মনোজ কুমার আগরওয়াল। সোমবার নবান্নে...

সোমনাথ মন্দির ভারতের আত্মগৌরবের প্রতীক: পুনর্নির্মাণের ৭৫ বছর পূর্তিতে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর

সোমনাথ মন্দির (Somnath Temple) ভারতের আত্মগৌরবের প্রতীক- সোমনাথ মন্দিরের পুনর্নির্মাণের ৭৫ বছর পূর্তিতে বার্তা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Prime...

মন্ত্রিসভায় দফতর বণ্টন: একনজরে কাকে কোন দায়িত্ব

নতুন সরকারের (New State Govt.) প্রথম প্রশাসনিক বৈঠক শেষ হতেই মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পাঁচ সদস্যের মধ্যে দফতর বণ্টন করে...

অনিয়মের ‘চুলচেরা’ বিচার হবে: নবান্নে প্রথম দিনেই অবস্থান স্পষ্ট করলেন শুভেন্দু 

নবান্নে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকেই মেজাজ স্পষ্ট করে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার শীর্ষ আমলাদের সঙ্গে...