‘ভুল ট্রেনে উঠে পড়লে পরের স্টেশনেই নেমে পড়ুন।’ দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে এ ভাবেই সতর্কবার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সাফ কথা, ফেরার পথ দীর্ঘ হলে প্রত্যাবর্তন ততটাই কঠিন হয়ে পড়বে। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি জানান, সাধারণ মানুষকে আজ ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে। কারণ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের প্রাণ দিয়ে পশ্চিমবঙ্গকে আঁকড়ে রেখেছেন।

এদিন বিরোধীদের বিঁধে রচনা বলেন, এই সমাজে এখন মিথ্যাবাদীরা সব প্রিয় পাত্র হয়ে উঠছে আর সত্যবাদীরা হচ্ছে অপমানিত ও অবহেলিত। তৃণমূল সাংসদের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেবল বাংলার নেত্রী নন, তিনি সারা ভারতের গণতন্ত্র ও সংবিধানকে বাঁচিয়ে রেখেছেন। তাঁর কথায়, যতদিন তৃণমূল কংগ্রেস থাকবে, ততদিন দিদির সংকল্প ও আন্দোলন বেঁচে থাকবে। এই লড়াইকে তিনি ‘বাংলার লড়াই’ বলে অভিহিত করে তৃণমূল নেত্রীর হাত শক্ত করার ডাক দেন।

আগামী কয়েক মাস রাজনীতির ময়দানে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে বলে মনে করছেন রচনা। দলীয় নেতা-কর্মীদের মনোবল বাড়িয়ে তিনি বলেন, আগামী তিন মাস আমাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। তার পরের দিনটি হবে দিদির দিন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিন তথা তৃণমূল কংগ্রেসের দিন। আমরা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় রয়েছি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘বটবৃক্ষ’র সঙ্গে তুলনা করে সাংসদ বলেন, তিনি আমাদের ছায়া দিয়ে রাখবেন। তাঁর ছায়ায় পশ্চিমবঙ্গের মানুষ সুরক্ষিত থাকবে, আনন্দে থাকবে। উন্নয়নের ধারা বজায় রাখতে তিনি সাধারণ মানুষের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত শক্ত করার আবেদন জানান। রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে কর্মীদের সজাগ করতে এবং দিদি-অভিষেকের নেতৃত্বে আস্থা ফেরাতেই রচনার এই কড়া অথচ আবেগঘন বার্তা।

আরও পড়ুন – সংসদে আদিবাসী মহিলার নাম চায়নি ওরা: বিজেপির রাষ্ট্রপতি-সম্মানের পর্দাফাঁস বীরবাহার

_

_

_

_

_
_

