জাতি ও ধর্মীয় বিক্ষোভে উত্তাল আমেরিকার বেশ কিছু অংশ। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিকভাবে যেমন অস্থিরতা মার্কিন মুলুকে, তেমনই সামাজিক অশান্তিতেও জেরবার ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) দেশ। নিউ ইয়র্ক শহরে এরকমই এক বিক্ষোভ থেকে শহরের মেয়রের (New York Mayor) বাসভবনে দেশি বোমা ছোঁড়ার অভিযোগ একদল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। মেয়র জোহরান মামদানির (Zohran Mamdani) বাসভবন লক্ষ্য করে বিস্ফোরক ছোঁড়ার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেফতার করা হল।

শনিবার (Saturday) সকালে নিউ ইয়র্ক শহরে জনা ২০ লোক নিয়ে একটি ইসলাম বিরোধী বিক্ষোভের আয়োজন করা হয়। এর জবাবে আরেকটা বড় পাল্টা বিক্ষোভ শুরু হয় ওই এলাকায়। এই দুই মিছিলের সংঘর্ষ মেয়রের সরকারি বাসভবন গ্রেসি ম্যানশন (Gracie Mansion) এলাকায় পৌঁছায়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং পরিস্থিতি অশান্ত হয়ে যায়। পুলিশ দুই দলকে আলাদা জায়গায় রাখার চেষ্টা করলেও পরে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়।

পুলিশ দাবি করে, দুপুরের দিকে একজন বিক্ষোভকারী বিপক্ষের এক বিক্ষোভকারীদের দিকে লঙ্কার গুঁড়ো (Chilli powder) ছুঁড়ে দেয়। এরপর ১৮ বছরের যুবক একটি জ্বলন্ত বস্তু ছুঁড়ে দেয় বিরোধী দলের দিকে। সেটি রাস্তার ব্যারিকেডে গিয়ে লাগে এবং তারপরই তা থেকে ধোঁয়া এবং আগুন বেরোতে দেখা যায়। পরে অন্য এক যুবকের কাছ থেকেও একই জিনিস উদ্ধার হয়েছে। দুজনকেই আটক করে পুলিশ। সেই সময় নিজের বাসভবনেই সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন জোহরান মামদানি (Zohran Mamdani)।

আরও পড়ুন : রবিবাসরীয় দুপুরে ধর্নামঞ্চে হাজির অভিষেকের ছেলে-মেয়ে, পরম স্নেহে জড়িয়ে ধরলেন মমতা

বোম স্কোয়াড (Bomb Squad) ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তুগুলি পরীক্ষা করে। কাচের জারের মধ্যে নাট-বল্টু (Nuts and bolts) ও স্ক্রু (screw) ভরে কালো টেপ দিয়ে মুড়ে রাখা হয়েছিল। তার সঙ্গে একটি ছোট ফিউজ (Fuse) লাগানো ছিল। তবে সেগুলি সত্যিই বিস্ফোরক ছিল কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়। পরীক্ষার জন্য সেগুলি পাঠানো হয়েছে। মেয়রের মুখপাত্র (spokesperson) এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন এবং বলেছেন, ঘৃণা ও বিদ্বেষ ছড়ানো এমন বিক্ষোভ নিন্দনীয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে, পাশাপাশি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাও সাহায্য করছে। এই ঘটনায় কেউ আহত হননি—এটাই স্বস্তির বিষয়।

–

–

–

–

–


