প্রবল ক্ষোভে ফুঁসছে গোটা বাংলা। বৈধ নাগরিকেরা এখনও নিশ্চিত নন তাঁরা বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন কিনা। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে এসে প্রকাশ্য রাস্তায় ঘোরাফেরা করলে সাধারণ মানুষের বিক্ষোভের মুখে যে পড়বেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Gyanesh Kumar, CEC), তা বলাই বাহুল্য। রবিবার রাত থেকেই জারি সেই প্রক্রিয়া। রাজ্যে পৌঁছে দেখেছেন কালো পতাকা (black flag)। সোমবার ভোরে কালীঘাট মন্দিরে (Kalighat temple) পুজো দিতে গিয়েও বিক্ষোভের মুখে পড়লেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার।

সোমবার ম্যারথান বৈঠকে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ (Election Commission full bench)। রাজ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের পাশাপাশি একাধিক রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি এবং রাজ্যের পুলিশ, প্রশাসনের সঙ্গে নির্বাচন প্রস্তুতি নিয়ে বৈঠক করবেন জ্ঞানেশ কুমার ও দুই নির্বাচন কমিশনার। তার আগেই মা কালী শরণে জ্ঞানেশ।

আরও পড়ুন : রাজ্যে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার: শহরে ঢুকেই দেখলেন কালো পতাকা!

কিন্তু কালীঘাটে পৌঁছে নড়ে গেল জ্ঞানেশ কুমারের হাঁটু। গাড়ি থেকে নেমে মন্দিরের (Kalighat temple) দিকে এগোতেই খানিকটা হোঁচট খেলেন তিনি। সেটাই হয়তো ছিল গোটা নির্বাচন কমিশনের হোঁচট খাবার ইঙ্গিত। মন্দিরের চারপাশে জড়ো হওয়া সাধারণ মানুষরা প্রশ্ন তুললেন, কেন ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ জবাব চাই জবাব দাও নির্বাচন কমিশনার। সেই সঙ্গে দেখানো হল কালো পতাকা (black flag)।

পরে জানা যায় যে মানুষজন মন্দিরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে আসেন তাঁরা সবাই স্থানীয় বাসিন্দা। বিশেষত মহিলা। এসআইআরে বৈধ নাগরিকদের যেভাবে নাম বাদ গিয়েছে তারই উদাহরণ তাঁরা প্রত্যেকে। কেউ নিজের নাম বাদের আতঙ্কে চোখের জল ফেলে বিক্ষোভ দেখান। কেউ নিজের সন্তানের নাম বাদের প্রতিবাদ করতে জড়ো হন। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের সমর্থনে তাঁরা প্রশ্ন তোলেন স্থানীয় এক বিএলও-র মৃত্যু নিয়েও।

–

–

–

–

–

