প্রতিবেশী দেশে নির্বাচন শেষ। বাংলায় নির্বাচনের প্রস্তুতি গত পাঁচ মাস ধরে চলছে। এই পরিস্থিতিতে বারবার বাংলা-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে এসেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। সেই বজ্র আঁটুনির দাবি আসলে কতটা ফস্কা গেরো, প্রমাণ করে দিল বাংলাদেশের যুব নেতা হাদির (Osman Hadi) খুনিরা। বারবার বাংলার দিকে আঙুল তোলা অমিত শাহর সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (BSF) ও সীমান্ত নীতি আসলে কতটা ব্যর্থ, প্রমাণ হল মেঘালয় (Meghalaya) সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশের অপরাধীদের ভারতে প্রবেশের ঘটনায়।

রবিবার ভোররাতে উত্তর চব্বিশ পরগনার বনগাঁও (Bangaon) সীমান্ত এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় রাহুল ওরফে ফয়সল করিম মাসুদ এবং আলমগির হোসেন নামে দুই যুবককে। এরা দুজন অবৈধভাবে ভারতে বাস করছিল। রাজ্য পুলিশ অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে শুরু করলে এরা বাংলাদেশ পালানোর চেষ্টা করে। সেই সময় রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর (Bengal STF) হাতে গ্রেফতার হয় তারা। পরে জানা যায় এরাই বাংলাদেশের মোস্ট ওয়ান্টেড খুনি যারা যুবনেতা ওসমান হাদি খুনে মূল অভিযুক্ত।

বাংলাদেশের তরফেও হাদির খুনের মূল অভিযুক্ত দুজনের গ্রেফতারিতে তাদের পরিচয় নিশ্চিত করা হয়। স্বাভাবিকভাবে এরপরে প্রশ্ন ওঠে বাংলাদেশে অপরাধ করে অপরাধীদের ভারতে আশ্রয় নেওয়া নিয়ে। আর সেখানেই চাঞ্চল্যকর তথ্য হাতে আসে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ-এর।

আরও পড়ুন : খেলা শেষ, বিজেপির বিসর্জন-যাত্রা শুরু: মথুরাপুরের জনজোয়ারের ভিডিও পোস্ট করে তোপ অভিষেকের

গ্রেফতার হওয়া ফয়সল ও আলমগির হাদির (Osman Hadi) খুনের পরই বাংলাদেশ-মেঘালয় (Meghalaya) সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর বিভিন্ন পরিচয়ে ভারতের বিভিন্ন এলাকায় তারা ঘুরতে থাকে। অবশেষে সম্প্রতি বাংলাদেশে নতুন সরকার প্রতিষ্ঠা হওয়ার পরে বাংলাদেশ প্রবেশের চেষ্টা করে তারা। সেই উদ্দেশ্যে বনগাঁও পৌঁছতেই রাজ্য পুলিশের জালে ধরা পড়ে তারা। এই ঘটনায় সীমান্তে অমিত শাহর ব্যর্থতা আরও একবার স্পষ্ট। সেই সঙ্গে বিএসএফের দুর্বলতাকে কিভাবে রাজ্য পুলিশ বারবার ঢাকার কাজ করে চলেছে তাও প্রমাণিত।

–

–

–

–

–

