রাজ্যে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। শনিবার দুপুরে কলকাতার ব্রিগেডে সভা করবেন তিনি। সকাল থেকে কলকাতামুখী গেরুয়া দলের (BJP) সমর্থকদের জন্য কোথাও মাংস ভাত, কোথাও আবার ডিম ভাত রান্না করতে যথেচ্ছ সিলিন্ডার ব্যবহার বিজেপি কর্মীদের। যখন রাজ্যজুড়ে মানুষ গ্যাসের জন্য হাহাকার (LPG Cylinder Crisis)করছেন, বাণিজ্যিক গ্যাসের যোগান না মেলায় একের পর এক রেস্তোরাঁ বন্ধ হওয়ার পথে, তখন ভারতীয় জনতা পার্টির সমর্থকরা এত এলপিজি সিলিন্ডার (LPG cylinder) পাচ্ছেন কোথায় প্রশ্ন তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে ছবি পোস্ট করার পাশাপাশি নাম না করে বিজেপিকে নিশানা কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh)।

কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক গ্যাসের যোগানজনিত সমস্যার কথা স্বীকার করেছে। অথচ এদিন সকাল থেকে ময়দান চত্বরের ছবিটা দেখলে তার বিন্দুমাত্র আঁচ পাওয়া যাবে না। প্রধানমন্ত্রী কলকাতায় পা রাখার আগে সারি সারি সিলিন্ডার ব্যবহার করে বিজেপি কর্মীদের জন্য চলছে এলাহি রান্না। বেশ কিছু জায়গায় প্রাতরাশের আয়োজনও করা হয়েছে। একদিকে গ্যাসের জন্য লম্বা লাইন আমজনতার, অন্যদিকে এলপিজি সিলিন্ডারের যথেচ্ছ ব্যবহার বিজেপির। শনিবার সকালে নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ লেখেন, ‘যাঁরা গ্যাসের জন্যে লাইনে দাঁড়িয়ে, জেনে রাখুন, আজ ব্রিগেডে প্রচুর গ্যাস সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে।’


সমাজমাধ্যমে ইতিমধ্যেই সমালোচনা শুরু হয়েছে। নেট ব্যবহারকারীদের একটা অংশ বলছে, এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে শুধু বাংলা নয় বিজেপি আসলে গোটা দেশের জন্যই ক্ষতিকর। গেরুয়া দলের নেতারা সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন না। যেখানে গ্যাস সিলিন্ডার না থাকার ফলে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন সাধারণ মানুষ, ছোট বড় রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, কর্মীদের কাজ চলে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তখন ব্রিগেড ময়দানে পুরোপুরি পিকনিক মুডে পদ্ম নেতা-কর্মী থেকে সমর্থকরা। এটাই বিজেপির আসল চরিত্র।

–

–

–

–

–

–

–


