কর্মীদের শারীরিক সুস্থতা ও স্বাস্থ্যের দিকে নজর দিতে অভিনব উদ্যোগ নিল দেশের অন্যতম আবাসন নির্মাণকারী সংস্থা মার্লিন গোষ্ঠী। সম্প্রতি সংস্থার পক্ষ থেকে জোকা-র অ্যাক্রোপলিস ও সেক্টর ফাইভের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চত্বরে নিখরচায় চক্ষু পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। কেবল পরীক্ষাই নয়, যাদের চোখের দৃষ্টিতে সমস্যা ধরা পড়েছে, সংস্থার তরফে তাঁদের হাতে চশমাও তুলে দেওয়া হয়েছে।

অ্যাক্রোপলিস জোকা প্রকল্পে আয়োজিত এই শিবিরে ১৭৪ জন কর্মী অংশগ্রহণ করেন। রোটারি মহানগর নেত্রালয়ের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল সেখানে কর্মীদের চোখের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা, ছানি শনাক্তকরণ এবং লেন্সের পাওয়ার নির্ধারণের কাজ করেন। পরীক্ষার শেষে ৬৪ জন কর্মীকে বিনামূল্যে চশমা প্রদান করা হয়। একইভাবে সেক্টর ফাইভের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চত্বরেও এএসজি আই হাসপাতালের কারিগরি সহযোগিতায় একটি শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে ৩০৫ জন কর্মীর চক্ষু পরীক্ষা করা হয় এবং ১২৩ জনকে প্রয়োজনীয় চশমা দেওয়া হয়।

চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে কর্মীদের চোখের যত্ন নেওয়ার বিভিন্ন উপায় এবং সঠিক ডায়েট সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সংস্থার এই উদ্যোগে খুশি কর্মীরা। মার্লিন গোষ্ঠীর ম্যানেজিং ডিরেক্টর সাকেত মোহতা জানান, তাঁরা নিয়মিতভাবে কর্মীদের স্বাস্থ্যের খবরাখবর রাখতে এই ধরনের শিবিরের আয়োজন করেন। এমনকি প্রয়োজনে নামী চক্ষু হাসপাতালের সহায়তায় ছানি অপারেশনের ব্যবস্থাও করা হয়। রোটারি মহানগর নেত্রালয় ও এএসজি আই হাসপাতালকে এই মহৎ কাজে পাশে থাকার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, ১৯৮৪ সাল থেকে আবাসন শিল্পে যুক্ত মার্লিন গোষ্ঠী বর্তমানে ভারতজুড়ে তাদের ব্যবসা বিস্তার করেছে। কলকাতা ছাড়াও আমদাবাদ, রায়পুর, পুণে ও চেন্নাইয়ে তাদের একাধিক আবাসন ও বাণিজ্যিক প্রকল্প রয়েছে। বর্তমানে সেক্টর ফাইভে বাংলার প্রথম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার নির্মাণের কাজও চালাচ্ছে এই সংস্থা। ব্যবসার পাশাপাশি কর্মীদের সামাজিক সুরক্ষা ও স্বাস্থ্যের বিষয়ে তাঁদের এই দায়বদ্ধতা প্রশংসা কুড়িয়েছে প্রশাসনিক মহলেও।

আরও পড়ুন – নতুন করে বাদ ৭ লক্ষ! চলতি সপ্তাহেও আসছে না সাপ্লিমেন্টারি তালিকা

_

_

_

_

_
_


