২৮ ফেব্রুয়ারি পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশের পরে যে কোনও সময়ে রাজ্যে নির্বাচন ঘোষণা হতে পারে, এমনটা প্রস্তুতি নিচ্ছিল নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC, Gyanesh Kumar) বারবার অ্যাডজুডিকেশনের আওতায় থাকা ৬০ লক্ষ ভোটারের মধ্যে ন্যায্য ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার দাবি জানালেও আজও পর্যন্ত একটিও সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা (supplementary voter list) প্রকাশ করেনি নির্বাচন কমিশন। সংসদে জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব আসতেই নির্বাচন ঘোষণায় এতটুকু দেরি করেনি নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তবে প্রস্তুত রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসও। মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় দলের প্রার্থী তালিকা (candidate list) প্রকাশের খবর দলীয় সূত্রে।

নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ রাজ্যে এসে যখন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেছিল, রাম-বামেরা ১ বা ২ দফায় নির্বাচনের কথা জানিয়েছিলেন। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছিল, ভোটের দফা নয়, গুরুত্বপূর্ণ হল ন্যায্য ভোটারদের ভোটার তালিকায় নাম থাকা। রবিবার নির্বাচন ঘোষণার পরে তৃণমূলে (TMC)র তরফে একইভাবে দাবি করা হয়, নির্বাচন এক দফায় হোক বা একাধিক, তৃণমূল কর্মীরা রোজ মাঠে থাকেন। ফলে দফার হেরফেরে রাজ্যে নির্বাচনের ফলাফল হেরফের হবে না।

আরও পড়ুন : ‘বিনা কারণে’ শীর্ষ আধিকারিক বদল: স্বেচ্ছাচারী সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকতে জ্ঞানেশকে চিঠি মমতার

–

–

–

–

–

–


