ক্ষমতা হাতে পাওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) তুঘলকি শাসনের জেরে কার্যত বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে বাংলার শীর্ষস্তর থেকে জেলাস্তরের প্রসাশনিক ব্যবস্থা। বুধবার নির্বাচন কমিশন ১১টি জেলার ডিএম তথা ডিইও, কলকাতা দক্ষিণ ও কলকাতা উত্তরে ডিইওকে সরানোর নির্দেশ দিয়েছিল। যার মধ্যে ছিলেন টি বালাসুব্রহ্মণ্যম, যিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিএম এবং ডিইও হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন। কমিশন তাঁকে আলিপুরদুয়ারের জেলাশাসক (DM) করার নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিএম এবং ডিইও কে হবেন তা নিয়ে কিছু জানানো হয়নি। ঠিক একই রকমভাবে আইপিএস মুরলিধর শর্মা (IPS Murlidhar Sharma) এবং আইপিএস ওয়াকার রাজাকে (Waqar Raza) বুধবার অন্য রাজ্যের পুলিশ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল (ECI)। কিন্তু সেই অর্ডার বাতিল করে পুনঃনির্দেশ দিয়েছে কমিশন। মুরলিধর শর্মা বিধাননগরের সিপি ও ওয়াকার রাজা শিলিগুড়ির সিপি পদেই আপাতত বহাল থাকছেন।

মধ্যরাতে বিজ্ঞপ্তি জারি করে হেনস্থার মুখে ফেলছে আমলাদের। নির্বাচন ঘোষণার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই রাজ্যের পাঁচ শীর্ষ আধিকারিককে সরিয়েছে কমিশন। যা নিয়ে বারবার সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের এই আচরণকে ‘মধ্যরাতের গুপ্ত তাণ্ডব’ বলে কটাক্ষও করেন মমতা। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে চিঠি লিখে জানানোর পরেও কমিশন ইচ্ছা মত বদলের বিজ্ঞপ্তি দিচ্ছে। আরও পড়ুন: সন্দেশখালি মামলায় কাটল না জট, হাই কোর্টে খারিজ জামিনের আবেদন

এদিন মাঝরাতে ফের কমিশনের তরফ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়, টি বালাসুব্রহ্মণ্যমই থাকছেন দক্ষিণ দিনাজপুরের ডিএম। তাঁকে আলিপুরদুয়ার পাঠানো হচ্ছে না। আলিপুরদুয়ারের ডিএম করা হল ২০১৩ ব্যাচের অফিসার ময়ূরী বসুকে। এই ঘটনা কার্যত প্রমাণ হয় নির্বাচন কমিশনের হাতে সঠিক পরিকল্পনা নেই। ইচ্ছা মত বদলি করে হেনস্থা করা হচ্ছে আমলাদের। যার ফলে প্রসাশনিক কাজে সমস্যা তৈরি হচ্ছে।

–

–

–

–

–

–

–
