বেজে গিয়েছে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা। শাসক-বিরোধী সব দলই শুরু করেছে জোর কদমে প্রচার। তবে রাস্তায় বা বাড়ি-বাড়ি জনসংযোগ দেওয়াল লিখন নয়, ভোটের প্রচারে বড় হাতিয়ার গণ মাধ্যম অধুনা সমাজ মাধ্যম। তবে সমাজ মাধ্যমে প্রচারে কড়া নজর থাকবে কমিশনের (Election Commission)।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্রের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়ায় রাজনৈতিক বিজ্ঞাপনের উপর নজরদারি চালাবে নির্বাচন কমিশন(Election Commission)।

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, কোনও রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সংগঠন মিডিয়া সার্টিফিকেশন অ্যান্ড মনিটরিং কমিটির (এমসিএমসি) আগাম অনুমোদন ছাড়া সামাজিক মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক বিজ্ঞাপন প্রচার করতে পারবে না। টেলিভিশন, রেডিও, ই-পেপার, পাবলিক ডিসপ্লে, বাল্ক এসএমএস বা ভয়েস মেসেজের মতোই সোশ্যাল মিডিয়ার ক্ষেত্রেও এই নিয়ম বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

এর পাশাপাশি বলা হয়েছে, মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় প্রার্থীদের নিজেদের আসল সামাজিক মাধ্যমের অ্যাকাউন্টের বিবরণ হলফনামায় জানাতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনী প্রচারে ইন্টারনেট ও সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারের খরচের বিস্তারিত হিসেবও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কমিশনের কাছে জমা দিতে হবে।
পেইড নিউজ বা ভুয়ো প্রচার রুখতে এমসিএমসি-কে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সন্দেহজনক বিজ্ঞাপন বা সংবাদ চিহ্নিত হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলা ও রাজ্য স্তরে পৃথকভাবে এমসিএমসি গঠন করা হয়েছে। প্রার্থীরা জেলা স্তরের কমিটির কাছে আবেদন করতে পারবেন। রাজ্য স্তরের রাজনৈতিক দলগুলি আবেদন করবে রাজ্য এমসিএমসি-র কাছে। প্রয়োজনে আপিলের জন্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের নেতৃত্বে পৃথক আপিল কমিটিও থাকবে।

–

–

–

–

