তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। জ্বালানির দাম বাড়ায় যেভাবে নিয়ন্ত্রণের অভাব কেন্দ্রের পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের (Ministry of Petroleum and Natural Gas), তাতে দেশে উৎপাদিত একাধিক পণ্যের দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে এবার বাড়ল দেশের বোতলবন্দি জল অর্থাৎ প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটারের (packaged drinking water) দাম। দেশের একাধিক জল বিক্রেতা সংস্থা ১১ শতাংশ দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল।

বিজেপি শাসিত কেন্দ্রের সরকার মানুষের পানীয় জলের উপরও জিএসটি (GST) ধার্য করে জলের দাম বাড়ানোর পথে হেঁটেছিল। প্রবল চাপের মুখে জলের উপর জিএসটি প্রত্য়াহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। যার ফলে সম্প্রতি প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটারের দাম কমার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল। কিন্তু তাতে বাধ সাধল পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতি।

দেশের বিসলেরি, পার্ল অ্যাগ্রো-র মতো জল বিক্রেতা সংস্থা ১১ শতাংশ দাম বাড়ানোর ঘোষণা করেছে। তাঁদের দাবি, প্লাস্টিকের জলের বোতল ও ছিপি উৎপানের খরচ বেড়েছে যুদ্ধ পরিস্থিতির জন্য। হরমুজ প্রণালী আটকে যাওয়ায় গোটা বিশ্বে জ্বালানি সংকটে জ্বালানি তেল জাতীয় জিনিসের দাম যেমন বেড়েছে, তেমনই পেট্রোলিয়ামের সমস্ত বাই-প্রোডাক্টেরও দাম বেড়েছে। সেই পথ ধরেই গোটা বিশ্বে প্লাস্টিক (plastic) তৈরির পলিমারের দাম বেড়েছে। ফলে প্লাস্টিকের বোতলের (plastic bottle) দাম বাড়ায় ১০০ টাকায় ১১ টাকা করে প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটারের (packaged drinking water) দাম বাড়াল সংস্থাগুলি।

আরও পড়ুন : একই দিনে বাড়ল বিশেষ পেট্রোল-ডিজেলের দাম: সামগ্রিক দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির আশঙ্কা

বর্ধিত শতকরা হিসাবে দেশের সর্বত্র ৩ থেকে ৫ টাকা করে বোতলবন্দি পানীয় জলের দাম বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। জল বিক্রেতা সংস্থাগুলি যেভাবে তেলের যোগানে ক্ষতিগ্রস্ত তার প্রভাব যে জলের দামে পড়ল, তা নিয়ে অবশ্য এখনও কোনও বিবৃতি জারি করতে পারেনি কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তবে যেভাবে প্লাস্টিকের (plastic) দাম বাড়ার কথা বলে প্যাকেজড ড্রিঙ্কিং ওয়াটারের দাম বাড়ানো হল, তাতে প্লাস্টিকজাত অন্য জিনিসের দামও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

–

–

–

–

–

