টেলিপাড়ার অন্দরে এখন কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী এবং তাঁর প্রাক্তন বউদি সুস্মিতা রায়ের আকচাআকচির কথা। সমাজমাধ্যমে তাঁদের এই পারিবারিক বিবাদ এখন আক্ষরিক অর্থেই ‘টক অফ দ্য টাউন’। তবে এই বিবাদের আগুনে এবার ঘৃতাহুতি দিলেন অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়। সরাসরি কারও নাম না নিলেও, রাহুলের ফেসবুক পোস্টের লক্ষ্য যে সায়ক এবং অনন্যা-সুকান্ত জুটি, তা বুঝতে বিশেষ বেগ পেতে হয়নি নেটিজেনদের।

বিবাদের সূত্রপাত সায়কের দাদা সব্যসাচীর প্রাক্তন স্ত্রী সুস্মিতার দ্বিতীয় বিবাহকে কেন্দ্র করে। সম্প্রতি নতুন করে সংসার পেতেছেন সুস্মিতা। সেই জীবনের নতুন ইনিংসের ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিতেই ধেয়ে আসে বিদ্রূপ। খোদ প্রাক্তন দেওর সায়ক সেখানে গিয়ে শুভেচ্ছা জানালেও, সেই বার্তার পরতে পরতে ছিল শ্লেষ। চুপ করে থাকেননি সুস্মিতাও। পাল্টা জবাবে প্রাক্তন স্বামী ও দেওরের বিরুদ্ধে উগরে দিয়েছেন দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ।

এই প্রকাশ্য কাদা ছোড়াছুড়ি যখন নেটিজেনদের একাংশের কাছে ‘বিনোদন’ হয়ে দাঁড়িয়েছে, ঠিক তখনই ময়দানে নামলেন রাহুল। ফেসবুকে একটি রহস্যময় পোস্টে তিনি লেখেন, “বাংলার গো রক্ষকরা বউদি আর বাউন্সারে আটকে। বাংলার গরুদের কী হবে?” রাহুলের এই বাঁকা মন্তব্যের নেপথ্যে রয়েছে এক পুরনো বিতর্ক। উল্লেখ্য, গত জানুয়ারি মাসে পার্ক স্ট্রিটের এক রেস্তোরাঁয় খেতে গিয়ে সায়ক অভিযোগ তুলেছিলেন যে, তাঁকে পাঁঠার মাংসের বদলে গো-মাংস খাওয়ানো হয়েছে। সেই সময় বিষয়টিতে সাম্প্রদায়িক রং লাগানোর চেষ্টাও হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে।

রাহুলের এই পোস্টে যেমন হাস্যরস রয়েছে, তেমনই রয়েছে তীব্র কটাক্ষ। নাম না নিলেও তিনি যে সায়কের সেই ‘গো-মাংস’ বিতর্ক এবং সম্প্রতি অনন্যা-সুকান্ত জুটির বাউন্সার-বিবাদকে এক সারিতে বসিয়ে বিঁধেছেন, তা স্পষ্ট। নেটিজেনদের মতে, বিনোদন জগতের এই ব্যক্তিগত বিবাদ যে স্তরে নেমেছে, রাহুল তাঁর পোস্টের মাধ্যমে আসলে সেই ‘অরুচিকর’ পরিবেশকেই নিশানায় রেখেছেন।

আরও পড়ুন – উত্তরবঙ্গ দিয়ে মঙ্গলবার থেকে প্রচার শুরু তৃণমূল সুপ্রিমোর

_

_

_

_

_
_

