ট্রমা কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসা করাতে এসে এক রোগীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় ফের চাঞ্চল্য আরজিকর হাসপাতালে। শ্বাসকষ্টের রোগীকে স্ট্রেচার (stretcher) না দেওয়ার অভিযোগ পরিবারের। সেইসঙ্গে শৌচাগার সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে টালা থানার পুলিশ (Tala Police Station)। অন্যদিকে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে (trauma care centre) শৌচাগারের স্বল্পতা নিয়ে পদক্ষেপ নিচ্ছে আরজিকর (R G Kar Medical College and Hospital) কর্তৃপক্ষও।

সম্প্রতি আরজিকর হাসপাতালে লিফটে আটকে গিয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় দমদমের বাসিন্দা অরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের। রবিবার রাতে ফের এক মৃত্যু ঘিরে গাফিলতির অভিযোগ রোগীর আত্মীয়দের। উত্তর ২৪ পরগনার বিশরপাড়ার বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সামন্তকে শ্বাসকষ্ট নিয়ে রবিবার রাতে আরজিকর হাসপাতালে আসেন পরিবারের সদস্যরা। চিকিৎসার পর তিনি কিছুটা সুস্থ বোধ করেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে হয় পরিবারের সদস্যদের। যদিও রাত বাড়লে ফের তাঁর অবস্থার অবনতি হয়। সেই সময়ে তিনি শৌচালয়ে (toilet) যাওয়ার কথা জানান, আর সেখানেই সমস্যার সূত্রপাত।

পরিবারের দাবি, অসুস্থ হওয়া সত্ত্বেও ট্রমা কেয়ার সেন্টার থেকে তাঁকে স্ট্রেচার দেওয়া হয়নি। এমনকি ওয়ার্ড সংলগ্ন কোনও শৌচাগারও পাননি তাঁর পরিবার। যেতে হয় বাইরের শৌচাগারে। সেই অবস্থায় হেঁটে সিঁড়ি দিয়ে উঠতে গিয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে সেখানে মৃত্যু হয় তাঁর, অভিযোগ পরিবারের।

আরও পড়ুন : গাফিলতি লিফটম্যানেরই! আরজি কর লিফট বিভ্রাটে তথ্য পেশ সিপির

রোগীর পরিবারের তরফ থেকে অভিযোগ জানানোর পরই তৎপর হয় টালা থানা। অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়। সেইসঙ্গে আরজিকর (R G Kar Medical and Hospital) কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে ট্রমা কেয়ার সেন্টারে (trauma care centre) শৌচাগার ৪২টি। কিন্তু রোগীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় সেগুলি ফাঁকা পাওয়া যায় না। সোমবারই আরজিকর হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির বৈঠক রয়েছে। সেখানে আরজিকর হাসপাতালের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে আরও দুটি শৌচাগার তৈরি প্রস্তাব আসার সম্ভাবনা।

–

–

–

–

–
