ভোটের মরশুমে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সিদ্ধান্তে চরম বিপাকে স্বাস্থ্য পরিষেবা। আরামবাগ হাসপাতালে (Arambagh Hospital) একসঙ্গে ৩৪ জন চিকিৎসককে ভোটের ডিউটিতে পাঠানোর নির্দেশ ঘিরে তৈরি হয়েছে তীব্র উদ্বেগ। বারবার পরিকল্পনা করেই যে বিজেপির অঙ্গুলি হেলনে কমিশন বাংলার মানুষকে হেনস্থা করছে তা কার্যত ফের প্রমানিত। যা নিয়ে সরব হয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক তথা বেলেঘাটার প্রার্থী (Beleghata TMC Candidate Kunal Ghosh) কুণাল ঘোষ। তিনি জানান, হাসপাতালের ডাক্তারদের যদি তুলে নেয় কমিশন তাহলে খুব স্বাভাবিকভাবেই হাসপাতাল অচল হয়ে যায়। এগুলো উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে করা হচ্ছে। অভিযোগ, কমিশনের এই নির্দেশ কার্যকর হলে কার্যত অচল হয়ে পড়তে পারে হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোট পরিচালনার জন্য চিকিৎসকদের ব্যাপক হারে নিয়োগ করতে চাইছে নির্বাচন কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তার জেরে জরুরি পরিষেবায় ধাক্কা লাগার আশঙ্কা প্রবল। ইতিমধ্যেই রোগী ও তাঁদের পরিবারে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। তাঁদের প্রশ্ন, ভোটের স্বার্থে যদি চিকিৎসকদের সরিয়ে নেওয়া হয়, তবে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা কে দেখবে? আরও পড়ুন: বৃষ্টি দুর্যোগে বিপর্যস্ত সিকিমের একাধিক রাস্তায় ধস, শতাধিক পর্যটকের আটকে পড়ার আশঙ্কা!

নির্বাচন কমিশন বারবার নিজের ইচ্ছামতো প্রশাসনিক রদবদল করছে, যার প্রভাব পড়ছে জরুরি পরিষেবাগুলির উপরেও। অন্যদিকে, প্রশাসনের একাংশের দাবি, নির্বাচন প্রক্রিয়া নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতেই এই পদক্ষেপ। তবে তাতে যে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চিকিৎসা পরিষেবা বিঘ্নিত হতে পারে, সেই আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। ভোট যত এগোচ্ছে, ততই স্পষ্ট হচ্ছে—নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ ঘিরে প্রশাসনিক চাপের ভার সামলাতে গিয়ে চাপে পড়ছে গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবা। আরামবাগের এই ঘটনা সেই প্রশ্নকেই নতুন করে সামনে আনছে।

–

–

–

–

–

–

–

–
