আইপিএলের(IPL) শুরুতেই হার কেকেআরের(KKR)। শাহরুখ খানের শহরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে পরাজয়ের লজ্জা নিয়েই লিগ অভিযান শুরু নাইটদের। ভালো রান করেও বোলিং ব্যর্থতায় আরব সাগরে তুবল কেকেআর(KKR)। ৬ উইকেটে দাপুটে জয় দিয়েই আইপিএলের সূচনা করল মুম্বই।

ঘরের মাঠে টসে জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। নাইটরা ব্যাটিং খারাপ করেনি। অঙ্গকৃষের ৫১, রাহানের ৬৭ রানে ভর করে ৪ উইকেটে ২২০ রান তোলে কেকেআর। অ্যালেন ৩৭, গ্রিন ১৮ রান করলেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই এই ম্যাচে চেনা মেজাজে পাওয়া গেল রোহিত শর্মাকে। ৭৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেললেন হিটম্যান। মারলেন ৬টা ছক্কা ও ৬টা চার। সঙ্গে ছিলেন রায়ান রিকেলটন। তিনি ৪৩ বলে ৮১ রান করেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে চারটি চার ও আটটি ছয়। দু’জনের ব্যাটে ১২ ওভারের মধ্যেই ১৫০-র কাছাকাছি রান পৌঁছে যায়। রায়ান ৮১ রান করলেন। সূর্য ১৬ রান করে ফিরলেও। হার্দিকের ১৮, তিলকের ২০ রানে সহজে জয় পেল কেকেআর।

হারের মধ্যেই থাকছে চিন্তার একাধিক কাঁটা। চোটের জন্য ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা ও আকাশ দীপ। পাথিরানা কবে আসবেন তা এখনও চূড়ান্ত নয়। এই পরিস্থিতিতে রাহানের চোট চিন্তা বৃদ্ধি করল নাইট থিঙ্ক ট্যাঙ্কের। প্রথম ম্যাচেই চোট পেয়ে বাইরে গেলেন অজিঙ্ক রাহানে। কতটা গুরুতর চোট এখনই বলা যাচ্ছে না। বাকি ম্যাচ নেতৃত্ব দিলেন রিঙ্কু। নেতৃত্বে এখনও পরিণত নন রিঙ্কু। ফলে হার্দিক-তিলকদের সামনে দাঁড়াতেই পারল না কেকেআর।

বোলিংয়ের অবস্থা যে খারাপ, তা মাঠে-ময়দানে প্রমাণ করলেন ব্লেসিং মুজারাবানিরা। ফিনিশিংয়ে হোক বা বোলিংয়ে আন্দ্রে রাসেল নামের একজনকে নিশ্চয় মিস করছেন সমর্থকরা। বরুণও হতাশ করলেন।

২০১২ সালে শেষ বার আইপিএলে নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতেছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ১৪ বছর পর আবার জয় দিয়ে আইপিএল শুরু রোহিতদের। আইপিএলে ওয়াংখেড়েতে কেকেআরের খারাপ ফল অব্যাহত থাকল। ১৩ ম্যাচ খেলে ১১টি হারল কেকেআর।

–

–

–

–
–
–
