ভোটের (2026 Election) নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই বকেয়া ডিএ (DA) মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মার্চে এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করেছিল নবান্ন। এবার ফের ডিএ এবং ডিআর সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিল রাজ্যের অর্থ দফতর। সোমবার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ এবং ডিআর সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতে বুধবার একটি বৈঠক ডাকা হয়েছে। আরও পড়ুন: জয়পুরের গোলাপি রং মাখনো হাতির মৃত্যু! উঠছে প্রশ্ন

এদিনের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মী বা পেনশনভোগীদের প্রতি মাসে ঠিক কত করে ডিএ এবং ডিআর দেওয়া হয়েছে, তার বিস্তারিত তথ্য ইতিমধ্যেই সংগ্রহের জন্য ১২ মার্চ একটি চিঠির মাধ্যমে অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই কাজ কতদূর এগিয়েছে তা দেখার জন্যই ১ এপ্রিল বুধবার বিকেল চারটেয় এই বৈঠক ডেকেছে অর্থ দফতর। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবও। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য উচ্চশিক্ষা দফতর, স্কুল শিক্ষা দফতর, জনশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা দফতর, পুর ও নগরোন্নয়ন দফতর, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর, পরিবহণ দফতর এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামীণ উন্নয়ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগের নির্দেশিকাগুলিতে স্কুল,পঞ্চায়েত, মিউনিসিপ্যালিটি ইত্যাদি সরকারি সাাহায্যপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের কী ভাবে বকেয়া DA মেটানো হবে, সেই সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। এই বৈঠকে সেই নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে ওয়াকিবহাল মহলের একাংশের অনুমান।

–

–

–

–

–

–

–

–
