এপ্রিলের মধ্যেই বকেয়া ডিএ কর্মীদের নির্দিষ্ট নিয়মে মিটিয়ে দেওয়া নিয়ে যে সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকার নিয়েছিল, তাতে একের পর এক ইতিবাচক পদক্ষেপ নিয়েছে রাজ্যের অর্থ দফতর (Finance Department)। এবার সরকারি স্কুল শিক্ষক থেকে মাদ্রাসা শিক্ষক ও অন্যান্য শিক্ষকদের বকেয়া মেটাতে ডাকা হল জরুরি বৈঠক। মূলত গ্রান্ট-ইন-এইড (grant-in-aid) প্রতিষ্ঠানগুলির কর্মী ও পেনশনভোগীদের দীর্ঘদিনের বকেয়া মহার্ঘভাতা (ডিএ) (DA) ও ডিয়ারনেস রিলিফ (ডিআর) মেটানো নিয়ে তৎপরতা। এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ ও অগ্রগতি পর্যালোচনার জন্য বুধবার অর্থবছরের (financial year) প্রথম দিনেই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ডাকা হয়েছে নবান্নে।

অর্থ দফতরের জারি করা নির্দেশিকা অনুযায়ী, ২০০৮ সালের এপ্রিল থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া ডিএ ও ডিআর সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য ইতিমধ্যেই বিভিন্ন দফতরের কাছে চাওয়া হয়েছিল। সেই তথ্য সংগ্রহের অগ্রগতি খতিয়ে দেখতেই এই বৈঠক ডাকা হয়েছে। বিকেল ৪টেয় অর্থ দফতরের (Finance Department) কনফারেন্স হলে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য উচ্চশিক্ষা, স্কুল শিক্ষা, গণশিক্ষা সম্প্রসারণ ও গ্রন্থাগার পরিষেবা, পুর ও নগরোন্নয়ন, সংখ্যালঘু বিষয়ক ও মাদ্রাসা শিক্ষা, পরিবহণ এবং পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের শীর্ষ আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন : আজ কোনও ফর্ম এলে তা ভোটার তালিকায় থাকবে না: দুদিনের অশান্তি শেষে জবাব মনোজের

রাজ্যের গ্রান্ট-ইন-এইড প্রতিষ্ঠান মূলত সরকারি স্কুল, মাদ্রাসাগুলি, গ্রন্থাগার। সেই সব দফতরকে জরুরি বৈঠকে ডাকার অর্থই শিক্ষকদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া নিয়ে তৎপরতা। প্রতিটি দফতরকে তাদের সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের হিসাব ও প্রতিষ্ঠা শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক এবং আর্থিক উপদেষ্টাকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠকে যোগ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজনে অতিরিক্ত আধিকারিকদেরও সঙ্গে আনার নির্দেশ রয়েছে। অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে।

–

–

–

–

–

–
