রবিবার বিকেলে তালসারিতে মৃত্যু হয়েছে অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Banerjee)। আর তার তিনদিন পর, বুধবার শোক প্রকাশ করার সময় পেল প্রযোজনা সংস্থা ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স (Magic Moments Motion Pictures)! মৃত্যুর পরেই অল ইন্ডিয়া সিনে ওয়ার্কার্স অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে প্রযোজনা সংস্থার বিরুদ্ধে জরুরি পদক্ষেপ এবং আর্থিক সহায়তার দাবি তোলা হয়েছিল। শেষে চাপের মুখের পড়ে শোক প্রকাশ করেছে ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স। সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তাদের শিল্পী ও কলাকুশলীরা অনেকেই মানসিকভাবে গভীর আঘাত পেয়েছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যেই ইউনিটের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলা শুরু হয়েছে। সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, প্রত্যক্ষদর্শীদের রয়ান নিরপেক্ষহীন ভাবে নিয়ে এক রিপোর্ট প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা বজায় রাখতে রাহুলের পরিবার, বন্ধু বা আর্টিস্টস ফোরামের মনোনীত কোনও প্রতিনিধিকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স তাদের এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ঘটনার সময় সংস্থার পরিচালক শৈবাল বন্দ্যোপাধ্যায় মুম্বইয়ে ছিলেন। খবর পাওয়ার পরই তিনি কলকাতায় ফিরে আসেন এবং সেই রাতেই রাহুলের বাড়িতে যান। তবে পরিবারের সঙ্গে তখন কথা বলা সম্ভব হয়নি। সংস্থার তরফ থেকে জানানো হয়েছে, পরিবারের কোনও প্রশ্ন থাকলে তারা তার উত্তর দিতে প্রস্তুত। এছাড়াও যদি কোনও গাফিলতির সম্ভাবনাও থাকে তাহলে তা খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত তাঁরা। এছাড়াও পুলিশ প্রশাসনের তরফে অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না তার প্রয়োজনীয় নথিও তদন্তকারীদের দেওয়া হবে বলে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুন: ‘রাজা ইজ ব্যাক!’ নবজাতকের আগমনে আনন্দে ভাসছে রাজা রঘুবংশীর পরিবার

ম্যাজিক মোমেন্টস মোশন পিকচার্স দাবি করেছে, রাহুলকে যখন উদ্ধার করা হয়, তখনও রাহুল বেঁচে ছিলেন। কিছু বলার চেষ্টা করছিলেন। জল থেকে তুলে শুরুতে প্রাথমিক চিকিৎসার চেষ্টা করে কাছের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। কিছু সেখানে চিকিৎসক না থাকায় দিঘায় নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাহুল শুধু সহকর্মীই নন, তিনি তাঁদের বন্ধুও ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর ঘটনার পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল তদন্ততে সংস্থার সব কর্মী সাহায্য করবে বলে জানানো হয়েছে।

–

–

–

–

–

–
–
