Wednesday, May 13, 2026

কলকাতার পরে এবার I-Pac-এর ৩ রাজ্যের অফিসে ইডি হানা

Date:

Share post:

বাংলায় গণতান্ত্রিক লড়াইয়ে এঁটে উঠতে না পেরে কি এবার কেন্দ্রীয় সংস্থাকে হাতিয়ার করে তৃণমূলের নির্বাচনী রণকৌশল ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছে বিজেপি? বৃহস্পতিবার সকাল থেকে দিল্লি, হায়দরাবাদ ও বেঙ্গালুরুতে তৃণমূলের নির্বাচনী কৌশলী সংস্থা আই-প্যাকের দফতরগুলিতে ইডির আকস্মিক হানা সেই প্রশ্নকেই আরও জোরালো করে তুলল। বেঙ্গালুরুতে সংস্থার ডিরেক্টর ঋষি রাজ সিং-এর বাসভবনেও পৌঁছে গিয়েছেন তদন্তকারীরা।

রাজনৈতিক মহলের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূলের অন্দরের গোপন তথ্য এবং নির্বাচনী ব্লু-প্রিন্ট হাতানোই এই অভিযানের আসল লক্ষ্য। গত জানুয়ারি মাসে যখন কলকাতায় আই-প্যাকের আরেক কর্তা প্রতীক জৈনের বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি, তখন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরব হয়েছিলেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছিলেন যে, দলের হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা এবং নির্বাচনী কৌশল চুরি করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে কাজে লাগাচ্ছেন অমিত শাহরা। বৃহস্পতিবারের ঘটনা সেই প্রতিহিংসার রাজনীতিরই ধারাবাহিকতা বলে মনে করছে ঘাসফুল শিবির।

তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপি রাজনৈতিকভাবে লড়াই করতে ভয় পায় বলেই বারবার কেন্দ্রীয় সংস্থাকে দিয়ে ভীতি প্রদর্শনের রাজনীতি করছে। কয়লা পাচার মামলার যে পুরনো অজুহাত দিয়ে এই তল্লাশি চালানো হচ্ছে, তার সঙ্গে এই সংস্থার কোনও বাস্তব যোগ নেই বলেই দাবি দলের ঘনিষ্ঠ মহলের। বরং গোয়া নির্বাচনের সময়কার খরচকে সামনে এনে আসলে বাংলার আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতিকে বাধাগ্রস্ত করাই গেরুয়া শিবিরের মূল পরিকল্পনা।

২০২১ সালে আই-প্যাকের রণকৌশলে ভর করে বাংলার মানুষ জনবিরোধী বিজেপিকে প্রত্যাখ্যান করেছিল। ২০২৬ সালেও যখন মা-মাটি-মানুষের সরকার ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে, ঠিক তখনই এই ধরণের হানা গণতন্ত্রের ওপর আঘাত বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ। প্রশাসনিক বাধা ও ইডির রক্তচক্ষু উপেক্ষা করেই তৃণমূল তাদের জয়রথ এগিয়ে নিয়ে যাবে বলে আত্মবিশ্বাসী কর্মীরা।

আরও পড়ুন – রাজ্যসভার ডেপুটি লিডারের পদ থেকে রাঘবকে সরাল AAP

_

 

_

 

_

 

_

 

_

 

_

Related articles

সব শক্তি অন্তরেই রয়েছে: ‘ব্রেভ’ লিখে সাহসী হওয়ার বার্তা মমতার

বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে পালাবদলের পরে ভোট পরবর্তী হিংসা রাজ্য তথা সমাজের একটি শ্রেণিকে বিপদের মুখে ফেলেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের...

বিদেশি খেলানো থেকে স্পনসর আনা, ঐতিহ্যের মোহনবাগানে আধুনিকতার দিশারী টুটু

মোহনবাগান এবং টুটু বোস (Tutu Bose), তিন দশকের বেশি সময়ে নাম দুটো সমার্থক হয়ে গিয়েছে। ঐতিহ্যের মোহনবাগান ক্লাবে...

ছাব্বিশের নির্বাচনে জয়ীদের আজ বিধানসভায় শপথগ্রহণ

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসকে হারিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে রাজ্যে সরকার গড়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। গত পঁচিশে...

জীবন যুদ্ধে হার মানলেন, টুটুহীন মোহনবাগান

লড়াই শেষ, জীবনযুদ্ধে হার মানলেন স্বপন সাধন বোস। ভারতীয় ফুটবলে যিনি পরিচিত টুটু(Tutu Bose) নামে। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শেষনিঃশ্বাস...