তালসারিতে (Talsari) শ্যুটিং করতে গিয়ে জলে ডুবে মৃত্যু হয়েছে টলিউড অভিনেতাকে রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Rahul Arunoday Banerjee)। গোটা ঘটনায় প্রযোজনার সংস্থার দায়িত্বজ্ঞানহীনতা ও গাফিলতির দিকে অজস্র প্রশ্ন উঠে এসেছে। এবার জনৈক প্রত্যক্ষদর্শীর চাঞ্চল্যকর দাবিতে অভিনেতার মৃত্যুর তদন্তে নয়া মোড়। দুর্ঘটনার সময় শুটিং চলছিল আর সেই মুহূর্তটা নাকি ড্রোন ক্যামেরাতে ধরা পড়েছে, এমনই মন্তব্য করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা বলরাম গঙ্গাই (Balaram Gangai)।


রাহুল ও শ্বেতা দুজনেই জ্বলে নেমে শুটিং করছিলেন। নায়িকাকে নির্বিঘ্নে উদ্ধার করা হলেও নায়কের ক্ষেত্রে বেশি সময় লাগার কারণ নিয়েও ধোঁয়াশা রয়েছে। কেউ বলেছেন রাহুলকে জল থেকে তোলার পর তিনি নাকি কথা বলছিলেন, আবার ময়নাতন্ত্রের রিপোর্ট বলছে অনেকক্ষণ জলে ডুবে থাকলে যে পরিমাণ বালি ও জল ফুসফুসে ঢোকা সম্ভব, সেটাই অভিনেতার ক্ষেত্রে দেখা গেছে। মৃত্যুর আগের মুহূর্ত পর্যন্ত নানা দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়লেও ঠিক যখন দুর্ঘটনাটি ঘটে তার কোনও ফুটেজ সেভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। এই পরিস্থিতিতে আচমকাই ভাইরাল বলরামের বক্তব্য। প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে তিনি বলেন, “পুরোটাই তো ড্রোনে শুটিং হচ্ছিল। ওরা নিজেদের বাঁচানোর জন্য সব লুকোচ্ছে। যখন জলে ডুবছে, তখন ড্রোন উপরে উড়ছিল। পুরো ঘটনাটাই ক্যামেরায় রেকর্ডিং আছে, ড্রোনে রয়েছে। ওরা ওসব তথ্য লুকিয়ে স্থানীয় লোকদের নামে ভুলভাল বলছে। সাতজন, আটজন লোকাল ছেলে থাকলে, তাহলে এরকম দুর্ঘটনা হত না। কয়েকদিন আগেও তো শুটিং হয়েছিল লোকাল লোক, নৌকা রেখেছিল। এখানে স্নানের দৃশ্যের শুটিং হয় না।” এখানেই শেষ নয় তাঁর দাবি, যেখানে শুটিং চলছিল,সেখানে অল্প জল ছিল প্রথমে। তার একটু সামনেই প্রায় ১০ থেকে ১৫ ফুট ঢালু গর্ত রয়েছে যেটা ওনারা বুঝতে পারেননি। ফলে একটু এগোতেই গর্তে পড়ে যান দুজনে, ততক্ষণে জোয়ারের জল চলে আসে বিপত্তি ঘটে। বালাসোর জেলার তালসারি মেরিন থানার পুলিশ ও দিঘা পুলিশ (Digha Police) ইতিমধেই প্রত্যক্ষদর্শী ও উদ্ধারকারীদের বয়ান রেকর্ড করার প্রক্রিয়া শেষ করেছে। এবার ড্রোন ক্যামেরায় সত্যি যদি দুর্ঘটনার মুহূর্তের ছবি বা ভিডিও থেকে থাকে তাহলে সেখান থেকে আসল সত্যি জানা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

–

–

–

–

–

–

–
–
