বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানে পরোক্ষভাবে সিপিএমের হার্মাদদের সমর্থন করা! তাই রায়নার মানুষ আগেও এইসব বহিরাগতদের জামানাত বাজেয়াপ্ত করে বিদায় দিয়েছে, এবারও দেবে! রবিবাসরীয় দুপুরে রায়না বিধানসভার প্রার্থী মন্দিরা দোলুইয়ের সমর্থনে জনসভা থেকে বাম-রাম গুন্ডাবাহিনীকে এক তিরে বিঁধলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তুলে ধরলেন রায়না বিধানসভা এলাকার সামগ্রিক উন্নয়নের পরিসংখ্যান। সাফ জানিয়ে দিলেন, রায়না বিধানসভার হিজলনা গ্রাম পঞ্চায়েতে একসময় সিপিএমের যে হার্মাদরা সন্ত্রাস চালিয়েছিল, সেই মার্কামারা বামগুন্ডারা আজকে জার্সি পাল্টে বিজেপিতে গিয়ে রায়নায় পুনরায় সেই সন্ত্রাস ফিরিয়ে আনতে চায়!

এদিন শ্যামসুন্দর কলেজ গ্রাউন্ডের জনসভা থেকে তৃণমূলের (All India Trinamool Congress) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, রায়নার মাধবদিহি এলাকায় ২০০৯ সালে সিপিএমের গুন্ডারা যে সন্ত্রাস চালিয়েছিল, আমরা ভুলে যাইনি। রায়নার মানুষ সিপিএমের সেই গুন্ডাবাহিনীর জামানাত বাজেয়াপ্ত করে বিদায় দিয়েছে। এবারও তাই করতে হবে। বিজেপি যেভাবে লাইনে দাঁড় করিয়ে মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, সেই লাইনে দাঁড়িয়েই তাদের উচিত শিক্ষা দিতে হবে। দিল্লির বহিরাগতদের জামানত বাজেয়াপ্ত করতে হবে। আরও পড়ুন: একদিনে এসআইআরের বলি ২: রিষড়ার পরে কালনায় মৃত্যু বৃদ্ধের

তৃণমূল প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি প্রার্থীর তুলনা টেনে অভিষেক বলেন, তৃণমূলের প্রার্থী দু’বার নির্বাচিত, জেলা পরিষদের সদস্য। অন্যদিকে, বিজেপির প্রার্থীকে কেউ চেনে না। এলাকার মানুষের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ নেই। এমন একটি দলের প্রতিনিধিত্ব করছেন, যারা বাংলাকে দিনের পর দিন বঞ্চিত করে রেখেছে। মানুষকে যারা দীর্ঘদিন অবহেলিত করে রেখেছে, তাদেরকে ভোট দেওয়া মানে পরোক্ষভাবে সিপিএমের হার্মাদগুলোকে সমর্থন করা! উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ঝরে অভিষেকের সংযোজন, রায়না ও খণ্ডকোষে বিপ্লবী রাসবিহারী বসু, বটুকেশ্বর দত্ত ও রাসবিহারী ঘোষের জন্মভিটে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কার ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একাধিক স্কুলের সংস্কার ও আধুনিকীকরণ, বিদ্যুতের সাব-স্টেশন হয়েছে। এখানকার কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবি, একটা কোল্ড স্টোরেজ। ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্য বাজেটে বাংলা জুড়ে ৫০টি কোল্ড স্টোরেজের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে একটি কোল্ড স্টোরেজ বা হিমঘর হবে এই রায়না বিধানসভায়। এছাড়াও একটি দমকল কেন্দ্রের দাবি রয়েছে, যা চতুর্থবার সরকার গঠনের পর অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ব্যবস্থা করা হবে।

–

–

–

–

–

–
–

