অ্যাথলেটিক্সে দেশকে এনে দিয়েছেন সোনার পদক এবার তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে রাজনৈতিক ট্র্যাকে স্বপ্না বর্মন।ভোটের ময়দানে নেমেই রেলের চাকরি ছেড়েছেন, অনেক জটিলতার পর রেলের থেকে পেয়েছেন এনওসি। রাজগঞ্জ কেন্দ্রে শাসক দলের তুরুপের তাস সোনার মেয়ে স্বপ্না।প্রচারে
ঘরের মেয়ে’র ইমেজে মানুষের মন জয় করতে কোমর বেঁধে নেমেছেন তিনি।

সাধারণ প্রার্থীর প্রথাগত প্রচারের বাইরে বেরিয়ে একেবারে ‘সকাল থেকে রাত, বিরামহীন প্রচার চালাচ্ছেন স্বপ্না। কখনও তাঁকে দেখা যাচ্ছে চা-বাগানের মেঠো পথে শিশুদের হাত ধরে হাঁটতে, আবার কখনও ময়দানে নেমে মেতে উঠছেন ভলিবল খেলায়। তবে নজর কেড়েছে তাঁর অন্য এক রূপ— সরাসরি সাধারণ মানুষের হেঁশেলে পৌঁছে যাওয়া। গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে গল্প করতে করতে নিজেই চা বানিয়ে আপ্যায়ন করছেন কর্মী-সমর্থকদের। ঘরের মেয়ের এই সহজ মেজাজ রাজগঞ্জের আনাচে-কানাচে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

স্বপ্নার সঙ্গে রাজনীতির যোগ মাত্র কয়েকদিনের। এরই মধ্যে পেয়েছেন বিধানসভা ভোটের টিকিট। উত্তরবঙ্গে কেন্দ্রে ঘাস ফুল ফোটানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ তাঁর কাঁধে।

খেলার মাঠে ঠিক যেমন আত্মবিশ্বাসী থাকতেন ঠিক তেমনই আছেন ভোটের কঠিন লড়াইয়ে আগে।

রাজগঞ্জ তার নিজের কেন্দ্র। এখানেই বড় হওয়া। কিন্তু তারকা ইজেম ঝেড়ে ফেলে ঘরের মেয়ের মতোই মিশছেন প্রচারে।

স্বপ্না জানিয়েছেন, “মানুষের থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাচ্ছি। প্রতিদিন সকালে কর্মীদের নিয়ে জনসংযোগে বেরিয়ে পড়ছি। আমাদের লক্ষ্য স্পষ্ট— ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে আনা। আমি এই মাটিরই মেয়ে। মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকাই আমার ব্রত। এলাকার সমস্যাগুলো বিধানসভায় পৌঁছে দেওয়াই আমার প্রধান লক্ষ্য।”

উল্লেখ্য, খোদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্বপ্নার সমর্থনে প্রচারে এসে এই জয়ের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছিলেন। সেই লক্ষ্যপূরণেই এখন মরিয়া ঘাসফুল শিবির। রাজগঞ্জের মাটির সন্তান স্বপ্না বর্মন নিজেকে এলাকার সেবাতেই উৎসর্গ করতে চান।

_

_
_
_
_
_

