“যারা প্রার্থী ঠিক করতে পারেনি তারা ধর্মের নামে ভোট চায়, আমরা কর্মের নামে ভোট চাই“ মঙ্গলবার বিকেলে ময়নাগুড়ি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী রামমোহন রায়ের সমর্থনে ভোটপট্টির জনসভা থেকে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে একতিরে নিশানা করলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। একই সঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন শুধু হাসপাতাল নয়, রামমোহন রায় জিতলে পৃথক মহিলা কলেজও তৈরি হবে ময়নাগুড়িতে। ধূপগুড়ি (Dhupguri) বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জাতির জনককে দেশদ্রোহী বলার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন অভিষেক। এ-বিষয়ে তিনি বলেন, ৪ মে-র পর ধূপগুড়ি ডাকবাংলোতে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি এবং ২ অক্টোবর আমি নিজে আসব উদ্বোধন করতে।

তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের বার্তা, ঝড়-বৃষ্টি হলেও কষ্ট করে ২৩ তারিখে লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিয়ে জেতাতে হবে দলকে। এর পরেই বিজেপি ও কমিশনকে নিশানা করে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “একদিকে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী-সহ ২০ জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, ১০টার ওপর মুখ্যমন্ত্রী, শ’য়ে শ’য়ে নেতা, ইডি, সিবিআই, নির্বাচন কমিশন, কেন্দ্রীয় বাহিনী, মিডিয়া, সুপ্রিম কোর্ট, হাইকোর্ট, অর্থবল আর অন্যদিকে হাওয়াই চটি-পরা মহিলা আর দশ কোটি মানুষ। এটাই জনগণের ক্ষমতা। বাংলায় আবার চাই মমতা। ২০২৪ সালে ঘূর্ণিঝড় হয়েছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছুটে এসেছিলেন, তাই যে বিপদের বন্ধু তার পাশে থাকুন। ময়নাগুড়িতে পাঁচদিন আগেও বিজেপির প্রার্থীরা কেউ যায়নি। যারা প্রার্থী ঠিক করতে পারেনি তারা ধর্মের নামে ভোট চায়, আমরা কর্মের নামে ভোট চাই।“

রাজ্য সরকারের উন্নয়নের খতিয়ান তুলে ধরে অভিষেক বলেন, “২০২২ সালে ধূপগুড়ি যাওয়ার পথে দোমোহনি বাজারে দাঁড়াই, ব্যবসায়ীরা যা করেন তা হয়েছে। ধূপগুড়ি বিধানসভার উপনির্বাচনে প্রচারে গিয়ে মহকুমা গঠন করা হবে বলেছিলাম, ধূপগুড়ি মহকুমা হয়েছে। ময়নাগুড়িতে রামমোহন রায়কে জেতান ময়নাগুড়ির উন্নতি হবে।“ রামমোহন রায় জিতলে পৃথক মহিলা কলেজও তৈরি হবে ময়নাগুড়িতে।

শাহকে নিশানা করে অভিষেক বলেন, “উনি বলেছিলেন জল্পেশ মন্দিরকে কেন্দ্র করে পর্যটন কেন্দ্র হবে, চিলা রায়ের নামে প্যারামিলিটারি ট্রেনিং সেন্টার হবে, এইমস, কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয় বানানো হবে কিন্তু দশ বছরে কিছু হয়নি।“

তৃণমূলের সভাপতির কথায়, “ভোটার তালিকা থেকে যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে তাঁরা আতঙ্কিত, চিন্তিত হবেন না। ৪ মের পর একমাসের মধ্যে ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হবে।“ ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জাতির জনককে দেশদ্রোহী বলার বিরুদ্ধেও সরব হয়েছেন অভিষেক। এ-বিষয়ে তিনি বলেন, ৪ মে-র পর ধূপগুড়ি ডাকবাংলোতে মহাত্মা গান্ধীর মূর্তি এবং ২ অক্টোবর আমি নিজে আসব উদ্বোধন করতে।

আরও পড়ুন- লোকসভার আসন বেড়ে ৮৫০-এর প্রস্তাব: জনসংখ্যা নয়, আসন ঠিক করবে ডিলিমিটেশন কমিশন!

_

_

_
_
_

