সর্বোচ্চ ক্ষমতা প্রয়োগ করে বাংলার বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষা করল শীর্ষ আদালত। প্রথম দফার নির্বাচনে ২১ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৭ এপ্রিল সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। এবং সেই অনুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বাংলার ভোটাররা। এই জয় রাজ্যের শাসকদলের জয়- মত তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। বৃহস্পতিবার, বাঁকুড়ার ওন্দায় রোড শো শেষে অভিষেক বলেন, ”তৃণমূল কোর্টে লড়াই করে জেতে মানুষের ময়দানেও লড়াই করে জেতে।”

সুপ্রিম কোর্ট এদিন জানান, প্রথম দফার নির্বাচনে ২১ এপ্রিল এবং দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৭ এপ্রিল সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশ করতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। সেই অনুযায়ী ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন বাংলার ভোটাররা। বাংলার বৈধ ভোটারদের অধিকার রক্ষার জন্য যে লড়াই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজে সুপ্রিম কোর্টে দাঁড়িয়ে করেছিলেন তারই জয় হল। এই রায় শোনার পরেই খুশি প্রকাশ করেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ”আমি খুব খুশি, বিচারব্যবস্থার জন্য গর্বিত। মা-মাটি মানুষ জিন্দাবাদ। আজকে আমার থেকে খুশি আর কেউ নয়।”

এর পরেই ওন্দার পথসভা থেকে তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, ”এসআইআর নিয়ে আজ সুপ্রিম কোর্ট বলেছে আপিলে যে কেসগুলি গিয়েছে ২১ তারিখের মধ্যে যেগুলি হয়ে গিয়েছে, সব নাম তুলতে হবে। তৃণমূল কোর্টে লড়াই করে জেতে, মানুষের ময়দানেও লড়াই করে জেতে। ভাবুন এদের সাহস কতটা স্বাধীনতার ৭৯ বছর পরেও লাইনে দাঁড়িয়ে আমাকে প্রমাণ করতে হচ্ছে আমি দেশের নাগরিক।”

তীব্র কটাক্ষ করে অভিষেক বলেন, ”আমরা যদি অবৈধ হই তাহলে কি সৌমিত্র খাঁ বৈধ? সৌমিত্র খাঁ যদি অবৈধ হয় তাহলে তো নরেন্দ্র মোদিও অবৈধ। সাংসদ হয়েছে বলেই প্রধানমন্ত্রী। বাংলার ক্ষমতা, বাংলা দেখাবে। এমন ভাবে জবাব দেবেন যাতে ভোটের রেজাল্টের দিন ভোট বাক্স খুললেই বিজেপি নেতারা চোখে সর্ষেফুল দেখেন।” কারও নাম না করে খোঁচা দিয়ে অভিষেক বলেন, ”কেউ কেউ জয় বাংলা শুনলে পাগলের মত ঘেউ ঘেউ করে উঠছে। কোভিডের সময় এসেছিল কোভি-শিল্ড। আরে বহিরাগতদের জন্য কোভি-শিল্ড হচ্ছে ‘জয় বাংলা’।”

–

–

–

–
–
–
