বিশেষ সংসদীয় অধিবেশনে সরকার তিনটি বিল পাশ করাতে চাইছে৷ বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে এই বিশেষ অধিবেশন। এর মধ্যে মহিলা সংরক্ষণ (সংশোধনী) বিল ছাড়াও আছে আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) সংশোধনী বিল এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের আইন সংশোধন বিল৷ মহিলা সংরক্ষণ সংশোধনী বিল নিয়ে দিল্লির অলিন্দে রাজনৈতিক টানাপোড়েন তুঙ্গে। মহিলা আসন সংরক্ষণে সমর্থন বজায় রেখেও ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবির। এর মধ্যে বঙ্গে ভোটের প্রচার চলছে জোরকদমে। প্রচারের ব্যস্ততার মধ্যেই এই বিশেষ অধিবেশনে অন্তত ২০ তৃণমূল সাংসদ উপস্থিত থাকবেন। সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সৌগত রায়দের মতো সিনিয়র সাংসদরা থাকবেন।

এদিন মহিলা সংরক্ষণ বিল প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে প্রারম্ভিক বক্তব্য রাখেন বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। এর পরে বক্তব্য রাখবেন প্রতিমা মন্ডল এবং জুন মালিয়া। বিরোধী শিবিরের দাবি, সরকারের কাছে নেই প্রয়োজনীয় সংখ্যা গরিষ্ঠতা, সহজেই প্রতিহত করা হবে ডিলিমিটেশন কেন্দ্রীক সংবিধান সংশোধন বিলকে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে লোকসভায় উপস্থিত থাকতে পারেন ২০ জন দলীয় সাংসদ। বিশেষ অধিবেশনে যোগ দেওয়ার জন্য কলকাতা থেকে উড়ে আসছেন বর্ষীয়ান দুই সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় (Sudip Bandopadhyay) এবং সৌগত রায় (Sougata Roy)।

তিনটি সংশোধনী বিল পাশ করাতে লোকসভা ও রাজ্যসভা দু’টি কক্ষেই সরকারের দুই–তৃতীয়াংশ সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন৷ এই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা সরকারের হাতে নেই৷ সব সাংসদ যদি বিলের ভোটাভুটিতে অংশগ্রহণ করেন তা হলে সরকারকে লোকসভায় ডিলিমিটেশন বিল পাশ করাতেঅন্তত ৩৬৪টি ভোট পেতেই হবে৷ বিরোধীদের সহযোগিতা ছাড়া এটা সম্ভব নয়৷ এই চ্যালেঞ্জ সরকার কী ভাবে সামলায়, সেটাই দেখার।

–

–

–

–

–
–
–
