রাজ্যে প্রথম দফার ভোটের দামামা বেজে গিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টা বাজার সঙ্গে সঙ্গেই নির্বাচনী বিধি মেনে প্রথম দফার আসনগুলিতে সব রকম প্রকাশ্য রাজনৈতিক প্রচারের উপর যবনিকা পড়ল। শুরু হল নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ‘নীরবতা পর্ব’। এই সময়কালে যাতে কোনোভাবেই ভোটারদের প্রভাবিত করা না হয় এবং নির্বাচনী বিধিনিষেধ যথাযথভাবে পালিত হয়, সে বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে জেলা প্রশাসনগুলিকে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কমিশনের নির্দেশিকায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে, প্রচারের সময়সীমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কেন্দ্রগুলি থেকে বাইরের জেলা বা এলাকা থেকে আসা রাজনৈতিক কর্মী ও সমর্থকদের ফিরে যেতে হবে। ভোট শুরুর ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে এই কড়াকড়ি কার্যকর করার মূল উদ্দেশ্য হল একটি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ সুনিশ্চিত করা। জেলা প্রশাসন ও পুলিশকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে এলাকার হোটেল, লজ, গেস্ট হাউস এমনকি ধর্মশালাগুলিতেও চিরুনি তল্লাশি চালানো হয়। বাইরে থেকে আসা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তি বা কর্মী সেখানে থাকছেন কিনা, তা চিহ্নিত করে দ্রুত এলাকা ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে।
একই সঙ্গে জেলা ও আন্তঃরাজ্য সীমানাগুলিতে নাকা চেকিংয়ের মাত্রা বাড়ানো হয়েছে। ফ্লাইং স্কোয়াড এবং কুইক রেসপন্স টিমগুলিকে সতর্ক রাখা হয়েছে যাতে বিধিভঙ্গের কোনো অভিযোগ আসামাত্রই পদক্ষেপ করা যায়। তবে কমিশন এও স্পষ্ট করেছে যে, এই বিধিনিষেধ সাধারণ ভোটার বা স্থানীয় বাসিন্দাদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে কোনো বাধা সৃষ্টি করবে না। এটি শুধুমাত্র বহিরাগত রাজনৈতিক প্রচারকর্মীদের নিয়ন্ত্রণের জন্য।

আরও পড়ুন – সাহস থাকলে মণিপুরে সভা করে দেখান! লালগড় থেকে শাহকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

_

_

_

_
_
_
_
