প্রথমদফার নির্বাচনে ভোটের পালে হাওয়া লাগেনি বুঝতে পেরেই কি স্ট্রং রুম দখলের ষড়যন্ত্র বিজেপির (BJP)! বিস্ফোরক অভিযোগ সাগরদিঘির বিদায়ী বিধায়ক ও তৃণমূল (TMC) প্রার্থী বাইরন বিশ্বাসের (Byron Biswas)। শনিবার গভীররাতে জঙ্গিপুরে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা (CC Camera) দফায় দফায় বন্ধ হওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হন বাইরন। তাঁর কথায়, ”সিসি ক্যামেরা একাধিকবার বন্ধ হয়েছে। এটা টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, দিল্লি ফল্ট”। এর পরেই তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূল প্রার্থী বলেন, “বাংলায় কোনও ভোটের দরকার নেই। আমাকে নিয়ে মুর্শিদাবাদের চার তৃণমূল প্রার্থীই হারবেন।”

জঙ্গিপুরে ভোট গ্রহণ হয়েছে ২৩ তারিখ। পলিটেকনিক কলেজে রয়েছে EVM। নিরাপত্তার দায়িত্বে কেন্দ্রীয় বাহিনী, সঙ্গে রাজ্য পুলিশ (State Police)। স্ট্রংরুমে নজর ছিল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের। তাঁদের থেকেই শুক্রবার রাতে বায়রন জানতে পারেন স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা বন্ধ। কিছুক্ষণের মধ্যে সচল হলেও, ফের মাঝরাতে বিকল হয়ে যায় স্ট্রংরুমের ক্যামেরা। ঘটনাস্থলে পৌঁছন সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী। কেন বন্ধ সিসি ক্যামেরা? প্রশ্ন তুলতেই জওয়ানরা বাইরনের সঙ্গে বচসা বাধায়।
বাইরনের (Byron Biswas) অভিযোগ, “রাত থেকে দফায় দফায় স্ট্রংরুমের ক্যামেরা বন্ধ হয়েছে। এসডিও-কে ফোন করায় বলেছিলেন শনিবার সকালের আগে যান্ত্রিক গোলযোগ ঠিক করা সম্ভব নয়। কিন্তু অনুরোধ করার পরে আধঘণ্টার মধ্যে তিনি পদক্ষেপ করেন। কিন্তু তারপরেও সিসি ক্যামেরা একাধিকবার বন্ধ হয়েছে।” এর পরেই বিজেপিকে নিশানা করে বাইরন বলেন, ”এটা টেকনিক্যাল ফল্ট নয়, দিল্লি ফল্ট।”

এর পরেই কেন্দ্রের বিজেপিকে নিশানা করে বাইরন। ক্ষুব্ধ বাইরনের বক্তব্য, “শুধু সাগরদিঘিতে আমি হারছি তাই নয়, আমার সঙ্গে জঙ্গিপুরের জাকির হোসেন, ফারাক্কার আমিরুল ইসলাম এবং সামশেরগঞ্জের নূর আলমও এবার হারবেন। বাংলায় কোনও ভোটেরই দরকার নেই।” সাগরদিঘির তৃণমূল প্রার্থী সাফ জানান, এই নোংরা রাজনীতি বরদাস্ত করেন না তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বও।

–

–

–

–
–
–
