Monday, April 27, 2026

পাল্টানো দরকার… চাই না অসীম সরকার: স্লোগান পাল্টে মতু্য়াদের হয়ে বিজেপিকে তোপ অভিষেকের

Date:

Share post:

“আমি মোদিজির সঙ্গে একটা কথায় একমত, মোদিজি বলছেন পাল্টানো দরকার। আমি বলছি, পাল্টানো দরকার, আর চাই না অসীম সরকার“- প্রচারের শেষ লগ্নে সোমবার হরিণঘাটায় জনসভা থেকে বিজেপিকে তোপ তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। বলেন, “হরিণঘাটায় যে উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছিল, বিজেপি জেতার পর সেই উন্নয়নের কর্মযজ্ঞকে তারা থমকে দিতে চাইছে। উন্নয়নকে বাধাপ্রাপ্ত করতে চাইছে। ২০২৬ সালের ডিসেম্বর বা ২০২৭-র জানুয়ারিতে হরিণঘাটায় সেবাশ্রয় হবে।“

সভা থেকে হরিণঘাটার বিজেপি (BJP) প্রার্থী বিদায়ী বিধায়ক অসীম সরকার (Asim Sarkar), সাংসদ শান্তনু ঠাকুর এবং নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) একযোগে নিশানা করে অভিষেক বলেন, “বিজেপি প্রার্থী বলেছিলেন, ২০২৪-র আগে যদি সিএএ না-হয় মানুষের কাছে তিনি মুখ দেখাবেন না। আজকে ২০২৬, আবার তিনি প্রার্থী হয়েছেন। আমি মোদিজির সঙ্গে একটা কথায় একমত, তিনি বলছেন পাল্টানো দরকার। আমি বলছি, পাল্টানো দরকার, আর চাই না অসীম সরকার।“

এসআইআর করে ভোটার লিস্ট থেকে মতুয়াদের নাম কাটা নিয়ে অভিষেক (Abhishek Banerjee) বলেন, “এখন এখানে এসে বলছে মতু্য়াদের নাগরিকত্ব দেবে। এতদিন দিল না কেন?‌ এখান থেকে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে (Election Commission) জিতে হয়েছিল বিজেপির বিধায়ক। আর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও জিতে বিজেপির নেতা সাংসদ হয়েছিল। কিন্তু কী পেয়েছেন?‌ কিছুই পাননি। কেমন লাগছে ডবল ইঞ্জিন সরকারের স্বাদ?‌ আপনাদের নামই বাদ দিয়ে দিয়েছে। আর তাতে অসীম সরকার, শান্তনু ঠাকুররা বলছে, মতুয়াদের নাম বাদ গেলেও তা মেনে নিতে হবে। আর যখন এসআইআর হয় তখন তৃণমূল আপনাদের পাশে ছিল। সুখে না থাকলেও দুঃখে ছিল, আছে থাকবে তৃণমূল কংগ্রেস। আর তাই এবার এই বেইমানদের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিন। গায়ের জোরে মতুয়াদের নাম কেটেছে বিজেপি। বিজেপি ভোটের আগে টাকা বিলি করতে শুরু করেছে। ওদের থেকে টাকাটা নিয়ে নেবেন। কিন্তু ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেবেন। কারণ বেইমানদের সঙ্গে এটাই করা উচিত। আপনারা হরিণঘাটাকে এক নম্বর করুন ভোট দিয়ে, আপনাদের সমস্ত দায়িত্ব আমার কাঁধে থাকবে।”

এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী, সমর্থকদের অভিষেক বার্তা দেন, “হরিণঘাটার আশ্বাস, রাজীব বিশ্বাস। ফ্লিপকার্টের সবচেয়ে বড় ওয়ারহাউস তৈরি হয়েছে হরিণঘাটায়। রিলায়েন্স-সহ আরও সংস্থা বিনিয়োগ করছে। এই কাজ সম্পূর্ণ হলে হাজার হাজার স্থানীয় ছেলেমেয়েদের কর্মসংস্থান হবে। একশো একর জায়গা জুড়ে ফ্লিপকার্টের ওয়ারহাউস তৈরি হয়েছে। পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। ওয়ারহাউস হওয়ার ফলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে কুড়ি হাজারের বেশি ব্যবসায়ী উপকৃত হয়েছেন। হরিণঘাটা গ্রামীণ হাসপাতালকে স্টেট জেনারেল হাসপাতালে উন্নীত করা হয়েছে। নতুন ওপিডি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। বিএসএফ জওয়ানরাও এই হাসপাতালে এসে চিকিৎসা করায়। মোদি, অমিত শাহের উপর ভরসা নেই। ভরসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। মা-মাটি-মানুষের সরকারের উপর।“

Related articles

লিভ-ইন থেকে বিচ্ছেদে ‘ধর্ষণের অভিযোগ’ নয়! বড় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

দুই প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছায় লিভ-ইন (Live-in Relationship) সম্পর্কে থাকলে, সেখান থেকে কারও বেরিয়ে যাওয়াকে 'ফৌজদারি অপরাধ'...

IPL: জয়ের মধ্যেই খারাপ খবর, মেজাজ হারিয়ে শাস্তি পেলেন কেকেআর ব্যাটসম্যান

টানা হারের পর অবশেষে ২ ম্যাচ জয় পেয়েছে কেকেআর (KKR)। কিন্তু জয়ের মধ্যেই শাস্তির খবর এল কেকেআর শিবিরে।...

বাইক নিষেধাজ্ঞায় হাই কোর্টে মুখ পুড়ল কমিশনের! বাধা শুধু গ্রুপ রাইডিং-এ

ভোটের দু’দিন আগে বাইক চলাচলে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কিন্তু সিঙ্গল বেঞ্চের পরে ডিভিশন...

পরমাণু আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনের উপর জোড়া শর্ত চাপালো ইরান

প্রায় দেড় মাস ধরে চলতে থাকা পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধে সংঘর্ষ বিরতি হলেও যেকোনও মুহূর্তে ফের রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতি তৈরি...