ভোটের দু’দিন আগে বাইক চলাচলে একগুচ্ছ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। কিন্তু সিঙ্গল বেঞ্চের পরে ডিভিশন বেঞ্চেও মুখ পুড়ল কমিশননের। সোমবার, কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) ডিভিশন বেঞ্চ সাফ জানিয়ে দিল, ব্যক্তি স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা যাবে না। বুধবার দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে দল বেঁধে বাইক (Motor Bike) চালানো বা গ্রুপ রাইডিং (Group Ridding) করা না গেলেও কেউ একা বের হলে কোন সমস্যা নেই। জানিয়ে দিল বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তের ডিভিশন বেঞ্চ।

এদিন শুনানিতে ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়, “একজন নাগরিকেরও অধিকার খর্ব করতে পারেন না। বিহার-অসমেও কি একই বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছিল? যদি সেখানে না করে থাকেন, তাহলে এখানেও অনুমতি দেব। গাড়ির ক্ষেত্রে কেন বিধি নিষেধ প্রযোজ্য হবে না?“ তবে, এদিন শুনানিতে হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়েছে দিয়েছে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে ৪৮ ঘণ্টা দল বেঁধে বাইক (Motor Bike) চালানো যাবে না। ‘গ্রুপ রাইডিং’-এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকলেও ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, সিঙ্গল বেঞ্চের বাইক নিয়ে দেওয়া রায়ে হস্তক্ষেপ করছে।
বাইক বাহিনীর দাপট রুখতে একাধিক নির্দেশিকা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। সেই নিয়ে অভিযোগ দায়ের হয় হাই কোর্ট। সিঙ্গল বেঞ্চ রায় দিলে সেটিকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় কমিশন। সোমবার দুপুর ১২টা নাগাদ এই মামলার শুনানি হয়।

আদালত জানায়, বাইক মিছিলে নিষেদ্ধাজ্ঞা থাকলেও কোনওমতেই সাধারণ মানুষের নিত্যদিনের কাজের উপরে নিষেধাজ্ঞা চাপানো যাবে না। কমিশনের আগের নির্দেশিকাগুলি পুনর্বিবেচনা করে সংশোধন করতে হবে। পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ভোট দিতে যাওয়া যাবে। অফিসযাত্রী, অ্যাপ-নির্ভর বাইক ট্যাক্সির চালক এবং গিগ-কর্মীদের উপরে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়। তবে, সঙ্গে পরিচয়পত্র রাখা বাধ্যতামূলক।

–

–

–

–
–
–
