১৯৮২ সালে ৩০ এপ্রিল দক্ষিণ কলকাতার বিজন সেতুতে ঘটেছিল এক অভিশপ্ত ঘটনা। ইতিহাসের পাতায় যা আনন্দমার্গী(Anandamargi) হত্যাকাণ্ড নামে পরিচিত।

সেই ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে তোলপাড় ফেলে, বামফ্রন্ট সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তুলেছিল বিরোধীরা।সেই ঘটনাকে স্মরণ করে এবং বিচারের দাবিতে বুধবার দেশপ্রিয় পার্ক থেকে বিজন সেতু পর্যন্ত একটি মৌন মিছিলের আয়োজন করে আনন্দমার্গী সম্প্রদায়(Anandamargi community)।
পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা ও বিহারের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত হাজার হাজার আনন্দমার্গী এই মিছিলে অংশগ্রহণ করে তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর আনন্দমার্গী প্রচারক সংঘের সকল কেন্দ্রীয় সচিব সেই ১৭ জন ‘দধীচি’-র প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন—যাঁরা বিজন সেতুতে সিপিএম গুণ্ডাদের হাতে নৃশংসভাবে নিহত হয়েছিলেন। এই উপলক্ষে প্রবীণ আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা হাইকোর্টের প্রবীণ আইনজীবী শ্রীমতী মঞ্জু আগরওয়াল, আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত, অবধূতিকা আনন্দ রসপ্রজ্ঞা আচার্যা, আচার্য নির্মলশিবানন্দ অবধূত ও তপোময় বিশ্বাস—স্বাধীনোত্তর কলকাতার ইতিহাসে সংঘটিত এই জঘন্যতম অপরাধ সম্পর্কে বক্তব্য রাখেন।

আচার্য মন্ত্রসিদ্ধানন্দ অবধূত এই বর্বরোচিত ঘটনা প্রসঙ্গে বলেন, বাংলায় কমিউনিস্ট শাসনের পতনের পরেই কেবল এই নৃশংস ঘটনার তদন্তের জন্য বিচারপতি অমিতাভ লালা কমিশন গঠন করা সম্ভব হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে, কমিশন ২০১৯ সালে তাদের প্রতিবেদন জমা দিলেও, আজ পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গ সরকার সেই প্রতিবেদন প্রকাশ করেনি।

সংগঠনের মুখ্য জন সংযোগ আধিকারিক আচার্য্য দিব্যচেতনানন্দ বলেন, আমরা সুপ্রিম কোর্টের বিচার নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠনের দাবি জানাচ্ছি। আমাদের একমাত্র ভরসা সুপ্রিম কোর্টের বিচার বিভাগীয় তদন্তে।

–

–

–
–
–
