“সোনিয়াজি আমাকে ফোন করেছিলেন। অখিলেশ যাদব (Akhilesh Yadav) কাল আসছে।“ মঙ্গলবার, সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী জোট শক্তিশালী করার বার্তা তৃণমূল (TMC) সুপ্রিমো তৃণমূল সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। তিনি জানান, কংগ্রেস হাইকম্যান্ড থেকে শুরু করে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), অখিলেশ যাদব-সহ ইন্ডিয়া শিবিরের নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে মমতার।

এদিনস কালীঘাটে সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল সভানেত্রী বলেন, “সোনিয়াজি আমাকে ফোন করেছিলেন। রাহুল গান্ধী করেছিলেন, অরবিন্দ কেজরিওয়াল করেছিলেন। হেমন্ত সোরেন, তেজস্বী যাদব সঙ্গে কথা হয়েছে। অখিলেশ যাদব আজই আসতে চাইছিল। আমি বললাম কাল আসতে। তারপর একে একে সবাই আসবেন।”
নির্বাচনের আগে প্রচারে গিয়েও মমতা (Mamata Banerjee) জানান, দিল্লি থেকে মোদি সরকারকে সরানোর টার্গেট তাঁদের। সেই কথায় সূত্র ধরে মমতা বলেন, “ইন্ডিয়া টিম আমার সঙ্গে আছে। আমি এবার ছোট্ট কর্মীর মতো ইন্ডিয়া জোটকে শক্তিশালী করব। খুব শক্তিশালী জোট হবে।”

তৃণমূল সুপ্রিমোর অভিযোগ, “সব জায়গার মতো বাংলাতেও কেন্দ্র সরকার গণতন্ত্র ধ্বংস করল। পক্ষপাতদুষ্ট কমিশন। কাউন্টিং সেন্টার দিল্লি থেকে ক্যাপচার হয়েছিল। ইন্ডিয়া টিম আমার সঙ্গে আছে।” বিরোধী জোটের অন্যতম শরিক তৃণমূলের পাশে যে অন্য শরিকরা রয়েছেন, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন দলনেত্রী। তাঁর কথায়, “বাংলা এবং অসমের ভোট চুরি হয়েছে। এটা বিজেপির বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ।”

কার্যত তৃণমূলের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে রাহুল গান্ধী সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বার্তা দেন, তৃণমূলের জয়ে যেন উচ্ছ্বাস প্রকাশ না করেন কংগ্রেসের নেতা কর্মীরা। তাহলে কি আগামী দিনে কাছাকাছি আসবে তৃণমূল ও কংগ্রেস? এ প্রশ্নের জবাবে সরাসরি কিছু না বলে মমতা জানান, “এসব দলীয় কৌশল নিয়ে আমি এখনই কিছু বলব না।”

–

–

–
–
–
