Friday, June 19, 2026

সোশ্যালে পরিচয়ে প্রাক্তন না লিখে প্রতিবাদ মমতার: দিক বদল পুলিশের

Date:

Share post:

বাংলায় নির্বাচনে প্রথম স্তর থেকে কারচুপি প্রমাণসহ তুলে ধরেছে এতদিনের ক্ষমাতসীন দল তৃণমূল কংগ্রেস। কার্যত বিজেপি ও তৃণমূলের ভোটের পার্থক্যেও তা স্পষ্ট। এসআইআরের নাম বাদ পড়ার হিসাবও তুলে ধরা হয়েছে তৃণমূলের তরফে। সেই পরিস্থিতিতে পরাজয় স্বীকার করেননি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে পরিচয় পরিবর্তনেও সেই প্রতিবাদ জারি রাখলেন মমতা।

রাজনীতির মিডিয়া নির্ভরশীলতা রাজনীতির পট পরিবর্তনের সঙ্গেই পরিবর্তনশীল। তাই বাংলায় নতুন সরকারের পালাবদলের দিন থেকে প্রশাসনিক স্তরেও সোশ্যাল মিডিয়ার পালাবদল শুরু। রাজ্য পুলিশ থেকে কলকাতা পুলিশের (Kolkata Police) যে পেজগুলি এতদিন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বদের ফলো (follow) করত, শনিবার থেকে তাদেরই আনফলো (unfollow) করা শুরু হল। আর ফলো করার তালিকায় জুড়ল প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) থেকে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বদের নাম।

রাজ্য পুলিশ তথা কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া পেজ গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে রাজ্যে প্রশাসনিক নজরদারিতে পুলিশ কী ভূমিকা নিচ্ছে তা তুলে ধরতে। সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রেখে কাজ করার পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও পোস্টে লাগেনি কোনও রাজনীতির রঙ। তবে পেজ থেকে ফলো করার ক্ষেত্রে ছিল তৃণমূলেরই আধিক্য। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) থেকে তৃণমূল সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফলো (follow) করা বন্ধ করা হল।

সেই সঙ্গেই ফলো করার তালিকায় জুড়ল নতুন নাম। যেমন কলকাতা পুলিশ ফলো করতে শুরু করল নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ (Amit Shah), শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikary)। সেই সঙ্গে রাজ্যের লোকভবন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও ফলো করতে শুরু করল শনিবার থেকে। আবার রাজ্য পুলিশের পেজ নতুন করে ফলো করতে শুরু করল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে।

আরও পড়ুন : ঝালমুড়ি, মিষ্টি থেকে পলাশির গেট: শপথ মঞ্চ থেকে বাঙালিয়ানায় শান বিজেপির

অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতাদেরও রাজ্যে ক্ষমতা বদলের দিন থেকে বদলে গেল সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) নিজের পরিচয়ে নিজেকে তৃণমূল নেত্রীর পরিচয় দিলেন শপথ গ্রহণ শেষ হওয়ার পরেই। সেই সঙ্গে রাজ্যের ১৫, ১৬ ও ১৭তম বিধানসভার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবেও জানিয়ে দিলেন। উল্টোদিকে বিজেপির বিরোধী দলনেতা থেকে নিজের পরিচয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। গোটা নির্বাচন পর্বে যেভাবে রাজনৈতিক সংঘাতের সাক্ষী থেকেছে সোশ্যাল মিডিয়ার নেতা নেত্রীদের পেজ, সেভাবেই নির্বাচন শেষে সরকার গঠনেরও প্রত্যক্ষ সাক্ষী থাকল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলগুলি।

Related articles

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানো হয়েছে? বাস্তব জানালেন শুভেন্দু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানোর যে কথা বলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে পছন্দের ব্যক্তিদের রাখার কথা বলা...

মমতার উপহার ফেরাতে কালীঘাটে কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ! তারপর কী হল? 

দিন কয়েক আগেই সোশাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সমস্ত উপহার ফিরিয়ে দেবেন। সেই কথামতোই উপহারের সামগ্রী...

জল জীবন মিশনে গতি, ‘শুধু পাইপ বসালেই হবে না’! জেলাশাসকদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও গতি আনতে এ বার সরাসরি ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার নবান্নে কেন্দ্রীয়...

দাবি ৬৫-র, কিন্তু বিধানসভায় হাজির ৫৮! ‘ম্যাজিক নম্বর’ নিয়ে সংশয় ঋতব্রত শিবিরের

বিধানসভার বাইরে ৬৫ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি। আদালতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার যুক্তি। স্পিকারের স্বীকৃতি পাওয়ার পর নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলেও...