নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার পর বাতিল হয়েছে এই বছরের পরীক্ষা। পরীক্ষার নামে এই ধরণের প্রহসন নিয়ে উত্তাল গোটা দেশ। এদিকে মূল অভিযুক্ত দীনেশের ছেলে ঋষি বিবাল গা ঢাকা দিয়েছেন বলে খবর। জানা গেল ছেলের জন্য় ১০ লক্ষ টাকা দিয়ে NEET-এর প্রশ্নপত্র কিনেছিলেন দীনেশ। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে প্রশ্ন হাতে পেয়েও ৭২০-র মধ্যে মাত্র ১০৭ নম্বর তুলতে পেরেছিলেন ঋষি।
২০২৬ সালের NEET প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। দীনেশ ‘Guess’ প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করেছিল, যা NEET প্রশ্নপত্রের সদৃশ ছিল। সেগুলি প্রথমে কোচিং সেন্টারগুলিতে পাঠানো হলে ওই প্রশ্নপত্র অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। দীনেশ এবং তার ভাই মঙ্গীলাল, মঙ্গীলালের বড় ছেলে বিকাশকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দীনেশের ছেলে ঋষির খোঁজে আপাতত তল্লাশি চলছে। কিন্তু বিষয় হল, পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র হাতে পেয়েছিলেন ঋষি। ছেলের জন্য ওই প্রশ্নপত্র ১০ লক্ষ টাকায় দীনেশ কিনলেও স্ক্রুটিনি করে দেখা যাচ্ছে, এতকিছুর পরেও ভাল পরীক্ষা দিতে পারেননি ঋষি। ৭২০ নম্বরের পরীক্ষায় ১০৭- পেয়েছেন তিনি।

সূত্রের খবর, ছেলের জন্য প্রশ্নপত্র কেনার কথা দীনেশ স্বীকার করে নিয়েছেন। ঋষি পড়াশোনায় ভাল ছিলেন না। দ্বাদশ শ্রেণিতে গ্রেস মার্কসের দৌলতে পাশ করেছেন। ৫০০-র মধ্যে ২৫৪ পেয়েছেন। হিন্দিতে প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৩২, ইংরেজিতে ৫১, ফিজিক্সে ৫১, কেমিস্ট্রিতে ৫৮, বায়োলজিতে ৬২। ফিজিক্স এবং কেমিস্ট্রির থিওরিতে কম নম্বর পেলেও প্র্যাক্টিক্যালের দৌলতে পাশ করেছেন। কিন্তু পরিবারের ইচ্ছায় তিনি ডাক্তারি পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। প্রসঙ্গত, আনুমানিক ১৫০ জন পরীক্ষার্থীর প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের সাথে সংযোগ পাওয়া গিয়েছে। এক শিক্ষিকাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। মনীষা গুরুনাথ মান্ধারে গত ২৪ বছর ধরে পুণের মডার্ন কলেজে কর্মরত ছিলেন। গত পাঁচ-ছ’বছর ধরে ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সির সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন।

আরও পড়ুন – পুলগাঁওয়ে ফায়ারিং প্র্যাকটিসের মাঝে চরম অশান্তি! জুনিয়রকে লক্ষ্য করে মেজরের গুলি, মৃত সুবেদার মেজর

_

_

_

_
_
_
_
