দক্ষিণ দমদম পুরসভার দলীয় কাউন্সিলর সঞ্জয় দাসের অস্বাভাবিক মৃত্যুতে পরিবারের পাশে দাঁড়াল তৃণমূল। শনিবার সকালে দক্ষিণ দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর (TMC Counsilor) সঞ্জয় দাসের (Sanjay Das) ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে সাগর দত্ত হাসপাতালে যান বিরোধীদলনেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় (Shobhandev Chatterjee) ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। সেখানে কুণাল অভিযোগ করেন, কোনও একটি দুষ্ট চক্র সঞ্জয় দাসের নামে বদনাম করেছিল। কার্যত একটা ব্ল্যাকমেলিং হচ্ছিল। ফলে তিনি মানসিক চাপে ছিলেন। পরিবারের প্রতি সহমর্মিতা জানান তৃণমূল নেতৃত্ব।
দক্ষিণ দমদম পুরসভার স্বাস্থ্য বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ পদে (CIC) ছিলেন সঞ্জয়। মৃত কাউন্সিলর রাজারহাট-গোপালপুরের প্রাক্তন বিধায়ক অদিতি মুন্সী (Aditi Munshi) এবং তাঁর স্বামী তথা তৃণমূল কাউন্সিলর দেবরাজ চক্রবর্তীর (Debraj Chakraborty) ঘনিষ্ঠ ছিলেন। স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, রাজ্যে পালাবদলের পর থেকে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়।

কুণাল অভিযোগ করেন, ভোটে পালাবদলের পর থেকেই সঞ্জয়ের (Sanjay Das) উপর মানসিক চাপ দিচ্ছিল একটা চক্র। তার কাছে মোটা অংকের টাকা দাবি করা হয় বলেও অভিযোগ তৃণমূল বিধায়কের। তিনি জানান, সঞ্জয় তাঁদের মিষ্টি বা খাওয়া-দাওয়ার জন্য টাকা দিতে রাজি হন। কিন্তু মোটা অঙ্কের টাকা দেওয়া হয়নি। তারপরেই তাঁকে বদনাম করে এলাকায় হোডিং পরে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হল, এই পোস্টা যাঁদের নাম করে এই হোডিং দেওয়া হয়েছিল সেই দুজন ব্যক্তি জানেনই না যে তাঁদের নাম করে হোটিং দেওয়া হয়েছে। এর বিরুদ্ধে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেছেন তাঁরা। তবে এই হোটিং দেওয়ায় অত্যন্ত মানসিক চাপে ছিলেন সঞ্জয়- দাবি বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়কের। তিনি জানান, এই সঞ্জয়ের নামে কোনও অভিযোগ বা তদন্ত ছিল না। তাঁর নাবালক পুত্র-কন্যা ও পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান দুই তৃণমূল নেতা। তৃণমূল নেতৃত্ব জানান, তাঁরা সঞ্জয়ের পরিবারের পাশে রয়েছেন।

–

–

–

–

–
–
–
