বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে ক্ষমতার রদবদলের পরই টালিগঞ্জ পাড়ায় রদবদলের ইঙ্গিত মিলেছে। এবার কার্যত সেই ইঙ্গিতেই শিলমোহর। ইমপার (EIMPA) সভায় চরম বিশৃঙ্খলার পরে ধ্বনি ভোটে সভাপতি পদে পরাজয় পিয়া সেনগুপ্তের (Piya Sengupta)। আর তারপরই তাঁকে ঘিরে চরম বিশৃঙ্খলার মধ্যে পড়তে হয়। তাঁকে শারীরিক হেনস্থা করারও অভিযোগ উঠেছে। তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে সেখান থেকেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
শুক্রবার কার্যত অত্যন্ত অশান্তিজনক পরিবেশ তৈরি হয় ইমপার সভায়। পিয়া সেনগুপ্তকে সভাপতির পদ থেকে সরানোর প্রস্তুতি আগে থেকেই হয়েছিল। শুক্রবার কার্যত সেই পথেই শিলমোহর পড়ে। সদস্যদের ধ্বনিভোটে পরাজিত হন পিয়া (Piya Sengupta)। অস্থায়ীভাবে সভাপতি (EIMPA president) নির্বাচিত করা হয় প্রযোজন রতন সাহাকে। আর সেই সিদ্ধান্তের পরই শুরু হয় অশান্তি।

পিয়া অভিযোগ তোলেন, ধ্বনিভোটের সময় বাইরের বহু মানুষ সেখানে ছিলেন যাঁরা আদৌ ইমপার সদস্য নন। সেই কারণেই অনৈতিকভাবে এই সভাপতি (EIMPA president) নির্বাচন হয়। কিন্তু তিনি প্রতিবাদ করতেই তাঁর উপর শতদীপ সাহার নেতৃত্বে বেশ কিছু লোকের চড়াও হওয়ার অভিযোগ। সেই সময়ই সভাকক্ষ থেকে বেরোতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন পিয়া। তাঁকে সেখান থেকেই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন : ‘পদত্যাগ করুন পিয়া’, ইমপা সভাপতির বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে পরিবর্তনের পক্ষে প্রযোজকরা!

নজিরবিহীন অশান্তির পরে শুক্রবার সভাপতি ঘোষণা করা হয়নি। পিয়া সেনগুপ্তর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগে সভা উত্তাল হয়। তবে পিয়া সেনগুপ্তর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ প্রমাণ সাপেক্ষ। তা সত্ত্বেও বৈঠক চলতে না দিয়ে নজিরবিহীন অশান্তি করা হয়েছে। এই ঘটনায় সুকান্ত মালিক নামে আরও এক সদস্যও অসুস্থ হয়ে পড়েন তাঁদের দুজনকেই কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়।

–

–

–
–
–
