বিধানসভায় বিরোধীদলের বিধায়কদের সই জাল মামলার তদন্তে এবার ডিআইজি পদমর্যাদার আধিকারিকের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের SIT তৈরি করল সিআইডি (CID)। এই বিশেষ দলে একজন ডিএসপি এবং দুই ইনস্পেক্টর থাকছেন বলে জানা গিয়েছে।

ঘটনার সূত্রপাত রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) তরফে বিরোধী দলনেতা ঠিক করা নিয়ে। গত ৬ মে কালীঘাটে বৈঠক ডাকেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। জোড়াফুল শিবিরের তরফে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chatterjee) নাম প্রস্তাবিত হয়। কিন্তু বিধানসভায় অফিশিয়াল ভাবে সেই প্রস্তাবনা তখন জমা দেওয়া হয়নি। এরপর বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটের বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। আর এখান থেকেই সমস্যা শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় জালিয়াতি অভিযোগে শুরু হয় তদন্ত। ইতিমধ্যে সিআইডি (CID) অফিসাররা বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বাহারুল ইসলাম, কুণাল ঘোষের সঙ্গে কথা বলেছেন। শনিবার নোটিশ দিয়ে সোমবার ভবানী ভবনে তলব করা হয়েছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও (Abhishek Banerjee)। তিনি অসুস্থ থাকায় আদৌ তলবে হাজিরা দিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।এসবের মাঝেই সিট Special Investigation Team) গঠন ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।

–

–

–

–

–

–
