বিধানসভার মতো লোকসভা ও রাজ্যসভার ভাঙনে আপাতত ব্যর্থ হল তৃণমূলের(TMC) তথাকথিত বিদ্রোহীরা। তবে চেষ্টা অব্যাহত। বিজেপি যেভাবে “প্রলোভনের পসরা” সাজিয়ে বসে আছে, তাতে সংখ্যা যে কোনও সময়ে জুটে যেতে পারে। বিদ্রোহীরা আপাতত (দুপুর অবধি) লোকসভায় ২০ জন সাংসদ জোটাতে ব্যর্থ। ফলে স্পিকারের কাছে যাওয়া কিংবা বিজেপির ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকও স্থগিত রাখা হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকেই বিদ্রোহীদের তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে। নয়া দিল্লিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের কোয়ার্টারে বৈঠক হয়।। ছিলেন, কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, ডা: শর্মিলা সরকার, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, আবু তাহের, অসিত মাল, অরূপ চক্রবর্তী, খলিলুর রহমান, কালীপদ সোরেন, জগদীশ বসুনিয়ারা। ছবিই বলে দিচ্ছিল সংখ্যা জোগার হয়নি। তাই সেখানে বেশ কিছু সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের আর নেতা নন জানিয়ে স্পিকারের কাছে লোকসভায় আলাদা ব্লক চাইতে পারেন তারা। যে দাবি সহজেই মিটতে পারে। কারণ, সবটাই বিজেপির নেতৃত্বে এবং বিজেপির(BJP) সৌজন্যে হচ্ছে। যে কারণে বিজেপি নেতা ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বিদ্রোহীদের বৈঠক হওয়ারও কথা। অন্যথায় সাংসদরা পদত্যাগ করতে পারেন বলে যে খবর রটানো হয়েছে, সেটির বাস্তবতা খুবই কম। কারণ সাংসদ না থাকলে বিজেপির সঙ্গে ‘দরদাম’ করাই যাবে না, বললেন তৃণমূলের আর এক সাংসদ।

এই অবস্থার মাঝে দাঁড়িয়ে বাংলায় মহারাষ্ট্র মডেল প্রয়োগ করতে অনেকটাই সফল বিজেপি। কিন্তু খবর আসছে বিভিন্ন জেলা থেকে। সেখানে বিদ্রোহীরা জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়ছেন। ভবিষ্যত কী হয় সেটা এখন সেটা অপেক্ষার।

–

–

–

–
–
