মাত্র কয়েক ঘণ্টার অপেক্ষা। তারপরই শুরু ফুটবল বিশ্বকাপ(FIFA World Cup)। আমেরিকা, মেক্সিকো, কানাডা এই তিন দেশে খেলবে ৪৮ দেশ। মোট ১৬টি স্টেডিয়ামে হবে বিশ্বকাপের(FIFA World Cup) ১০৪টি ম্যাচ। তার মধ্যে সেরা স্টেডিয়াম কোনগুলি? তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে।

প্রথমেই নাম আসে আমেরিকার আটলান্টা স্টেডিয়াম । ৭৫,০০০ দর্শক ধারণক্ষমতার এই অত্যাধুনিক স্টেডিয়ামটি ২০১৭ সালে নির্মিত। স্পনসরশিপের কারণে মার্সিডিজ-বেঞ্জ স্টেডিয়াম নামে পরিচিত।এখানে গ্রুপ পর্বের ৫টি, নকআউটের ৩টিসহ মোট ৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে,

ম্যাসাচুসেটস শহরের বোস্টন স্টেডিয়াম। এই স্টেডিয়াম-এর বর্তমান ধারণক্ষমতা ৬৫,০০০। ২০০২ সালে নির্মিত এই ভেন্যুতে গ্রুপ পর্বের ৫টি ও নকআউটের ২টিসহ মোট ৭টি ম্যাচ গড়াবে।

টেক্সাস শহরের ডালাস স্টেডিয়ামে ৯৪,০০০ দর্শকাসন রয়েছে। এটি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় ভেন্যু। ২০০৯ সালে নির্মিত ও জেরি ওয়ার্ল্ড নামে খ্যাত এই স্টেডিয়ামে সর্বোচ্চ ৯টি ম্যাচ (৫টি গ্রুপ পর্ব ও ৪টি নকআউট) অনুষ্ঠিত হবে।

টেক্সাসেরই হিউস্টন স্টেডিয়ামে রাউন্ড অব ১৬-এর একটিসহ মোট ৭টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। ২০০২ সালে নির্মিত ৭২,০০০ ধারণক্ষমতার এই মাঠ এনএফএল দল হিউস্টন টেক্সান্সের হোম গ্রাউন্ড।

কানসাস সিটি স্টেডিয়ামে এনএফএলের দল কানসাস সিটি চিফসের ঘরের মাঠে খেলা দেখতে পারেন ৭৩ হাজার মানুষ। সান ফ্রান্সিসকো বে এরিয়া স্টেডিয়ামে ৭১ হাজার দর্শকাসনের স্টেডিয়ামে ২০১৬ সালে সুপার বোল ৫০ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। প্রয়োজনে আসনের সংখ্যা ১২ হাজার পর্যন্ত বাড়ানো যায়

এস্তাদিও অ্যাজটেকা (মেক্সিকো সিটি) : বিশ্বকাপ ইতিহাসের অন্যতম ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম হলো এস্তাদিও অ্যাজটেকা। যার ধারণক্ষমতা ৮০,৮২৪ জন। এখানে আগেও বিশ্বকাপ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ হবে এখানে।

মেক্সিকোর এস্তাদিও আকরন বিশ্বকাপের অন্যতম সুন্দর ভেন্যু হিসেবে পরিচিত। যেখানে একসঙ্গে বসতে পারে প্রায় ৪৫,৬৬৪ জন। মোন্টেরে শহরের এস্তাদিও বিবিভিএ স্টেডিয়ামটি আধুনিক স্থাপত্য ও উচ্চ প্রযুক্তির সুবিধার জন্য পরিচিত। যার ধারণক্ষমতা ৫১,২৪৩ জন। কানাডার ওন্টারিয়োয় অবস্থিত টরন্টো স্টেডিয়ামে ৪৫ হাজার দর্শকাসন রয়েছে।
–
–
–
