লিওনেল মেসি (Lionel Messi) নামটার সঙ্গে প্রতিমুহূর্তে এক একটা নতুন মহাকাব্যের যোগসূত্র তৈরি হওয়া ফুটবল অনুরাগীদের কাছে বিশেষভাবে কাঙ্খিত। আকাশী- সাদা জার্সি পরে তিনি যখন মাঠে নামেন তখন সবার লক্ষ্য আর্জেন্টিনীয় মহাতারকার বাঁ পায়ের দিকে। যেকোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে ম্যাজিক, তা সে মাঠে নামার ৩০ সেকেন্ডের মধ্যে হোক কিংবা তিন মিনিটে বা তিরিশ মিনিটে। একটা মুহূর্তও মিস করা যাবে না। তাই শুধুমাত্র মেসির উপরে ফোকাস করতে এবার বিশেষ ক্যামেরার নজরদারি। নাম মেসিক্যাম (Messi Cam)।

বিশ্বকাপের বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। গতবারের চ্যাম্পিয়ন দলের খেলা না হলেও তাদের প্র্যাকটিস ঘিরে উন্মাদনার পারদ ঊর্ধ্বমুখী। বিশেষ করে যখন প্রস্তুতি ম্যাচেই ফর্মে দেখা গেছে ১০ নম্বর জার্সির মালিককে। আর্জেন্টিনার অফিশিয়াল ব্রডকাস্টার ‘টিওয়াইসি স্পোর্টস’ (TYC Sports) এবার একটা অদ্ভুত কাণ্ড ঘটিয়েছে। মেসি বল পায়ে ড্রিবল করছেন, নাকি অফ দ্য বল স্পেস তৈরি করছেন, কোনও বিশেষ প্লেয়ারের দিকে লক্ষ্য দিচ্ছেন নাকি বাঁ পায়ের শট সোজা জালে জড়িয়ে যাচ্ছে সেই সব কিছুকে ফোকাস করতে গোটা ম্যাচ জুড়ে একটা ক্যামেরা শুধুমাত্র তাঁর জন্যই বরাদ্দ থাকবে! ভাবতে পারছেন পাগলামিটা কোন স্তরে পৌঁছেছে? আসলে এটাই বিশ্বজুড়ে মেসি আবেগ। যা ভবিষ্যতে আর কোনও তারকার ক্ষেত্রে কখনও ঘটতে পারে বলে মনে করছেন না কেউই। এখানেই ব্যতিক্রমী লিওনেল মেসি। খেলার প্রতি একশো শতাংশ ডেডিকেশন আর গোলের খিদে এই বয়সেও তাঁকে আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে ধরে দেখেছে। বিশ্ব ফুটবলে কোনও প্লেয়ারকে নিয়ে এই প্রথম এরকম এক প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে যার মাধ্যমে মেসি সাইড লাইনে এসে জুতোর ফিতে বাঁধছেন নাকি জল খাচ্ছেন, সেটা লক্ষ্য রাখার জন্য বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ মেসিক্যাম দিয়ে ম্যাচ দেখবেন। এই পর্যায়ের উন্মাদনা শুধু বিরল নয় বিস্ময়ও বটে। আসলে ম্যাজিশিয়ানের নাম যখন লিওনেল মেসি, তখন এ আবেগ যেন থামার নয়।

–

–

–

–

–

–
