বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে আলজেরিয়াকে ৩-০ গোলে হারিয়ে দিল আর্জেন্টিনা(Argentina)। চলতি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমেই ম্যাজিক দেখালেন মেসি(Messi), হ্যাটট্রিক করে দেশের হয়ে ২০০তম ম্যাচটা স্মরণীয় করে রাখলেন নীল সাদার রাজপুত্র।

২০০৬ সাল থেকে বিশ্বকাপে খেলছেন মেসি(Messi)। এতদিন হ্যাটট্রিক করা হয়নি। এবার প্রথম ম্যাচেই আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে সেই অধরা হ্যাটট্রিক করে ফেললেন। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজার সঙ্গে যুগ্মভাবে বিশ্বকাপে ইতিহাসে ১৬ গোল করে ফেললেন মেসি। আর এক গোল করলেই এককভাবে বিশ্বকাপ ফুটবলের ইতিহাসে সর্বাধিক গোলদাতা হয়ে যাবেন মেসি। হ্যাটট্রিক করে তিনি ফের একবার বুঝিয়ে দিলেন, বয়স বাড়লেও বুড়িয়ে যাননি।

যাবতীয় জল্পনার অবসান ঘটিয়ে স্কালোনি মেসিকে প্রথম একাদশে রাখেন। বয়স বেড়েছে, চোট আঘাতও নিত্যসঙ্গী, কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে স্বমহিমায় মেসি।কাতারে যেখানে শেষ করেছিলেন ঠিক যেন সেখান থেকেই ২০২৬-এ শুরু করলেন আর্জেন্টিনাই মহাতারকা। আলজেরিয়ার বিরুদ্ধে একতরফা ম্যাচে হ্যাটট্রিক করে আর্জেন্টিনার জয় নিশ্চিত করেন এলএমটেন। ১-০ গোলে এগিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও খোলস ছেড়ে বার হয় লিওনেল স্কালোনির দল। নীল-সাদা ব্রিগেডের একের পর এক আক্রমণ আছড় পড়ে আলজেরিয়ার ডিপ ডিফেন্সে ।

৫ মিনিটেই লাউতারো মার্টিনেসের বাড়ানো পাস থেকে বল পেয়ে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিয়ে বল জালে পাঠান মেসি। কিন্তু সহকারী রেফারি অফসাইডের পতাকা তোলেন। ১৭ মিনিটেই গোলের দেখা পেল আর্জেন্টিনা, সৌজন্যে সেই লিও, মাঝমাঠ থেকে বল নিয়ে কিছুটা এগিয়ে যান। বক্সে ঢোকার চেষ্টা না করে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকেই বাঁ-পায়ের জোরাল শট জালে জড়াল। প্রথম ৪৫ মিনিট শেষে ১ গোলে এগিয়ে থেকেই সাজঘরে ফেরে স্কালোনির দল।

৬০ মিনিটে সুযোগসন্ধানী স্ট্রাইকারের মতোই গোল করলেন, ম্যাক অ্যালিস্টারের দূরপাল্লার শট কোনওক্রমে বাঁচান লুকা। ফিরতি বল থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান মেসি।১০ মিনিট পর ক্সের বাইরে নিখুঁত ফিনিশিং দেখল ফুটবলবিশ্ব।

তৃতীয় গোল করার পরেই তাঁকে তুলে নিলেন স্কালোনি। যে কাজের জন্য তাঁকে শুরু থেকে নামানো হয়েছিল, তা করে ফেলেছেন তিনি। তাই মেসিকে নিয়ে আর ঝুঁকি নিলেন না স্কালোনি।

প্রথম ম্যাচেই তিন গোল, সবে তো ট্রেলার দেখালেন মেসি , পিকচার এখনও অনেক বাকি।

–
–
–
–
