ওসির পরে বিডিও-র চেয়ারে চেয়ারে বসে পড়লেন রাজ্যের মন্ত্রী ও মুর্শিদাবাদের বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ (Goirishankar Ghosh)। সাগরপাড়া থানায় ওসি রাকেশ বিশ্বাসের (OC Rakesh Biswas) চেয়ারে বসার ছবি শুক্রবারই ভাইরাল হয় (ভাইরাল ছবির সত্যতা যাচাই করেনি বিশ্ব বাংলা সংবাদ)। এর পরের দিনও আরও একটি ছবি ভাইরাল। সেখানে মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা-১-এর BDO অরুণালোক ঘোষের (Arunalok Ghosh) চেয়ারে বসে আছেন গৌরীশঙ্কর! এই নিয়ে ফের বিতর্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজ্যে বিজেপি নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছেন, এখন বাংলায় আইনের শাসন চলবে। পুলিশ চলবে আইন মেনে, শাসক হস্তক্ষেপ করবে না। কিন্তু দেড় মাসেই বাস্তব চিত্র উল্টো। রাজ্যের মন্ত্রী ও মুর্শিদাবাদের বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ (Goirishankar Ghosh) গিয়েছিলেন সাগরপাড়া থানায়। সৌজন্য দেখিয়ে নিজের চেয়ার মন্ত্রীকে ছেড়ে দেন ওসি রাকেশ বিশ্বাস। আর বিন্দুমাত্র না ভাবে সেই চেয়ারে বেমালুম বসে পড়েন মন্ত্রীমশাই। এই ছবি ছড়িয়ে পড়তেই সমালোচনা শুরু হয়। প্রশ্ন ওঠে কোনও জনপ্রতিনিধিকে সরকারি আধিকারিকের দফতরে তাঁর চেয়ারে বসতে পারেন?

এই নিয়ে যখন প্রবল আলোচনা তার মধ্যেই শনিবার ভাইরাল দ্বিতীয় ছবি। সেখানে দেখা যাচ্ছে মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর বসে আছেন ভগবানগোলা-১-এর বিডিও অরুণালোক ঘোষের চেয়ারে।

বিরোধীদের অভিযোগ, এই দেড় মাসে বিজেপি প্রমাণ করে দিয়েছে পুলিশ আসলে ‘বিজেপির পুলিশ’। এই ছবি পোস্ট করে তৃণমূলের পক্ষে থেকে প্রশ্ন তোলা হয়, কোন অধিকারে গৌরীশঙ্কর ঘোষ এই চেয়ারে বসার অনুমতি পান? ব্লক উন্নয়ন কর্মকর্তা (বিডিও) হলেন একজন সরকারি আধিকারিক- যিনি একটি জেলার কোনও নির্দিষ্ট প্রশাসনিক ব্লক বা অঞ্চলের উন্নয়নের তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন। ছবিতে যে ব্যক্তি একটি প্রশাসনিক চেয়ারে বসে আছেন তিনি প্রশাসনিক আধিকারিকদের কেউ নন, একজন বিজেপির বিধায়ক। একজন সাধারণ জনপ্রতিনিধির আচরণে ব্যবস্থা নেবে কি সরকারকি ভাবে? উঠছে প্রশ্ন।

–

–

–

–
–
–
