বেসরকারি সংস্থায় এই বিড়ম্বনা আছেই- মালিকপক্ষের মর্জিতে ছুটির দিনেও অফিসে আসতে হয় অনেক কর্মীকেই। কিন্তু শনি-রবি বা ছুটির দিন চুটিয়ে উপভোগ করতেন সরকারি কর্মীরা (Government Employee)। এবার নয়া সরকারের আমলে সেই আয়েশেও কোপ। উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের প্রয়োজন মতো রাজ্য সরকারি সব দফতরের কর্মীদেরও শনি, রবি বা অন্যান্য সরকারি ছুটির দিন (Government Holiday) অফিসে আসতে হবে। আগে এই বাধ্যবাধকতা ছিল শুধু মাত্র উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের। এবার রাজ্যের কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের (পার্সোনেল অ্যান্ড অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ রিফর্মস ডিপার্টমেন্ট) বিভিন্ন সেলের কর্মীদেরও পালা করে ছুটির দিনগুলিতে অফিসে আসতে হবে। বিজ্ঞপ্তি (Notice) জারি করে একথা জানিয়েছে নবান্ন (Nabanna)।

কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিবের অনুমোদনক্রমে ওই দফতরের বিশেষ সচিব এক নির্দেশিকা (Notification) জারি করেছেন। যে হেতু ওই দফতরে অধীনেই বিভিন্ন জেলাশাসক, মহকুমা শাসক, বিডিও-র দফতর রয়েছে, সেই কারণে পর্যায়ক্রমে নীচের স্তরের কর্মীদের ছুটির দিনে পালা করে অফিসে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে নবান্ন সূত্রে খবর। অর্থ দফতরের তরফে ২৩ জুন এক বিজ্ঞপ্তিতে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১২৫তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে পূর্ণ দিবস ছুটি ও ১ জুলাই বিধানচন্দ্র রায়ের জন্মদিনে অর্ধ দিবস ছুটির সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্ট, ১৮৮১-এর ২৫ নম্বর ধারা এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাজ্যপাল এই ছুটির অনুমোদন দিয়েছেন।

উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা শনিবার, রবিবার ও সরকারি ছুটির দিন (Government Holiday) সরকারি কাজ করেন বলে নির্দেশিকায় জানিয়েছে কর্মিবর্গ ও প্রশাসনিক সংস্কার দফতর। সেই কারণে প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তা দিতে দফতরের বিভিন্ন শাখার কর্মীদের সরকারি ছুটির দিন, শনিবার ও রবিবারে ‘রোস্টার ভিত্তিতে’ ন্যূনতম সংখ্যক কর্মী অফিসে উপস্থিত থাকবেন। দফতরের সব শাখাকেই এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

–

–

–

–

–
