সামান্য এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামনে এসেছে শিউরে উঠার মতো নির্যাতনের অভিযোগ। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Pargana) জয়নগরের (Jaynagar) পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রকে (Student) জোর করে বাড়িতে নিয়ে গিয়ে উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে এক ব্যাক্তি ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে। নির্যাতনের (Torture) পর ভয়ে পড়ুয়াটি প্রথমে মুখ না খুললেও, শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে ঘটনার ভিডিও সামনে আসতেই প্রকাশ্যে আসে গোটা ঘটনা। বর্তমানে পড়ুয়াটি চিকিৎসাধীন।

পরিবারের অভিযোগ, কয়েক দিন আগে এলাকার অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল ওই পড়ুয়াটি (Student)। সেই সময় অসাবধানতাবশত তার হাতে থাকা একটি লাঠি স্থানীয় ওই বাসিন্দা তপন হালদারের গায়ে লাগে। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ওই পড়ুয়ার চুলের মুঠি ধরে নিয়ে যায় কিছু ধরে এবং রাস্তার মধ্যেই কান ধরে উঠ বস করায়। এই শাস্তিতেও শান্ত হননি তপন হালদার (Tapan Haldar)। এরপর জোর করে ওই পড়ুয়াটিকে বাড়িতে নিয়ে যান তিনি।

আরও পড়ুন:আটবছর পর কাকদ্বীপে সিপিএম দম্পতি খুনে গ্রেফতার ১০

সেখানেই শুরু হয় নির্মম নির্যাতন। অভিযোগ, শিশুটির পা দড়ি দিয়ে বেঁধে উল্টো করে ঝুলিয়ে মারধর করা হয়। তার পোশাকও খুলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। শুধু তাই নয়, সেই সময় ঘটনাস্থলে পরিবারের কয়েকজন সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। এবং সেই নির্যাতনের ভিডিও মোবাইলে রেকর্ড করেন বলেও অভিযোগ শিশুটির পরিবারের। এই ঘটনার কথা কাউকে জানালে পরিণতি আরও খারাপ হবে এই হুমকিও দেওয়া হয় শিশুটিকে।

ঘটনার পর আতঙ্কে বাড়ি ফিরে প্রথমে কিছুই জানায়নি শিশুটি। তবে তার শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। পরে কোনওভাবে নির্যাতনের ভিডিও তাঁদের হাতে পৌঁছলে পুরো বিষয়টি সামনে আসে। এরপর শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করে জয়নগর থানার (Jaynagar Police Station) অধীন ধোষা পুলিশ ক্যাম্পে (Dhosha Police Camp) জানানো হয় এবং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরিবারের দাবি, অভিযোগের পরও এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গ্রেপ্তার (গ্রেপ্তার) করা যায়নি। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তের বাড়িতে তালা ঝুলছে।

–

–

–
