করোনা সংক্রমণের জেরে বন্ধ রাখা হয়েছে চিনা এয়ারলাইন্সের বিমান পরিষেবা। কিন্তু এই আবহেই বিদেশি বিমানসংস্থার কাজ চালাবে বলেই বৃহস্পতিবার জানিয়েছে চিন।
১৬ জুন থেকে আমেরিকার উদ্দেশ্যে ও আমেরিকা থেকে চিনা এয়ারলাইন্সের যাত্রীবাহী বিমানের আসা-যাওয়া স্থগিত করে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ওয়াশিংটন। নির্দেশিকার পরে নিজেদের সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে চিনের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি।

করোনা সংক্রমণ কেন্দ্র করে তুঙ্গে আমেরিকা চিন বিরোধ। এমনকী বিশ্বব্যাপী সংক্রমনের জেরে চিনের থেকে ক্ষতিপূরণ চেয়েছে আমেরিকা। মার্চ মাসে বিমান পরিষেবা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা। সেই সময় চিন থেকে আমেরিকায় প্রবেশ করেছে একাধিক বিমান। চিনের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি এদিন জানিয়েছে, যেসব বিমান সংস্থা ১২ মার্চের তালিকায় ছিল না তারাও প্রতি সপ্তাহে একবার আন্তর্জাতিক রুটে যাবে।

জানা গিয়েছে, চিনে যাত্রীরা পৌঁছলে করা হবে করোনা ভাইরাসের পরীক্ষা। যে রুটের বিমানে যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে, সেই রুটে সংশ্লিষ্ট সপ্তাহে আরও একটি পরিষেবা দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। চিনের এই সিদ্ধান্তে ফের ক্ষুব্ধ ট্রাম্প প্রশাসন। মার্কিন পরিবহন দফতরের তরফে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুদেশের মধ্যে পরস্পরের বিমান চলাচল সংক্রান্ত যে বোঝাপড়া হয়েছিল চিন তা লঙ্ঘন করছে।

