Monday, March 2, 2026

দিল্লি মুকুল রায়ের জন্য কী পদ ভেবেছে জেনে নিন

Date:

Share post:

মুকুল রায় বিজেপির শীর্ষনেতৃত্বকে সাফ বলেছিলেন, হয় কাজ দিন। নয় ছেড়ে দিন।

এই পরিস্থিতিতে মুকুল দিল্লি সফর সেরে আসার পর তাঁর শিবির এবং দিল্লি সূত্রে খবর-
মুকুলকে এখনই কেন্দ্রে পূর্ণমন্ত্রী করার সম্ভাবনা খুব কম।
রাজ্য বিজেপির মূল সংগঠনেও কাজ করার তেমন জায়গা নেই।
আবার এতদিন মুকুল রায়কে তেমন কোনো পদ না দিলেও দিল্লি চায় না ভোটের আগে মুকুল দল ছেড়ে যান।
ফলে মুকুলের জন্য বিকল্প দুটি পথ ভাবছে দিল্লি।

এক, জটিলতা কাটিয়ে ভোটের স্বার্থে মুকুলকে মন্ত্রী করা।
দুই, মন্ত্রী বা দললের বড় পদের ঝামেলায় না গিয়ে মুকুলকে এবারের বিধানসভা ভোটে ইলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান করা। এই পদটিই আপাতত ভাবা হয়েছে।

কিন্তু ঘটনা হল, এটা অনেকটা নাকের বদলে নরুণ। যেখানে মন্ত্রিত্বের জল্পনা চলছে, সেখানে মন্ত্রী করা না হলেই নেতিবাচক বার্তা যাবে। তাছাড়া মুখে যাই বলা হোক ইলেকশন কমিটির দায়িত্ব পেয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করা মুশকিল। পঞ্চায়েত ভোটেও তো মুকুলকে এরকম কমিটির মাথায় বসানো হয়েছিল। ফলে তাতে কোনো নতুনত্ব থাকবে না।
মুকুলশিবির অবশ্য বলছে, এবার মুকুলকে সামনে রেখেই ভোটে যাবে দল।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে কংগ্রেস তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রদেশ সভানেত্রীর পদের বদলে ইলেকশনিয়ারিং কমিটির চেয়ারপার্সন ঘোষণা করেছিল। পরেরদিনই অপমানিত মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে ভোটে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।
মুকুলশিবিরের এক নেতা বলেন,” অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে মুকুল রায়কে খুশিই দেখিয়েছে। এখন দেখা যাক কার্যকর ক্ষেত্রে কী হয়।”

spot_img

Related articles

পেনশনভোগীদের জন্য বড় স্বস্তি: স্বাস্থ্য প্রকল্পে ক্যাশলেস চিকিৎসার সীমা বাড়াল রাজ্য 

রাজ্য সরকারি পেনশনভোগী ও পারিবারিক পেনশনভোগীদের জন্য চিকিৎসার খরচে বড়সড় স্বস্তি দিল নবান্ন। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য প্রকল্পে (ডব্লিউবিএইচএস) অন্তর্ভুক্ত...

আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও মেলেনি অনুদান, ২৫ বছর পর সুবিচারের আশায় গৃহবধূ

আড়াই দশক আগের সেই অভিশপ্ত রাত আজও তাড়া করে বেড়ায় তাঁকে। ২০০০ সালে কলকাতা হাইকোর্ট তাঁর প্রাপ্য অনুদানের...

২০২৬-এ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট চাই, আর্জি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে আইনজীবী 

২০২৬-এ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের আর্জি জানিয়ে এবার কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন এক আইনজীবী। তাঁর আবেদন গ্রহণ করে...

আজও নিজের হাতে ‘গণশক্তি’ লাগিয়ে বেড়ান তিনি

স্বামী অমিতাভ নন্দী (Amitabha Nandi) ছিলেন ডাকসাইটে সিপিএম (CPIM) নেতা তথা দমদমের সাংসদ। তিনি নিজে ছিলেন বিধাননগর পুরসভার...