Monday, May 25, 2026

কাশ্মীরে নির্বিচারে ১০ হাজার আপেল গাছ কেটে ফেলল প্রশাসন

Date:

Share post:

কাশ্মীরের আপেল চাষিরা এমনিতেই ন্যায্য মূল্য পান না বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের । এবার জম্মু-কাশ্মীর প্রশাসনের নির্দেশে উপত্যকায় ১০ হাজারের বেশি আপেল গাছ কেটে ফেলা হল। যথেচ্ছভাবে প্রশাসনের এই আপেল গাছ নিধনে মাথায় হাত কয়েক হাজার পরিবারের ।
কারণ, তারা বাগানগুলো করেন খুবই যত্নসহকারে। সারা বছরই ওই বাগান থেকে রোজগারের টাকায় চলে সংসার।গত কয়েক দশক ধরে অক্লান্ত পরিশ্রম করে সযত্নে এই আপেল বাগানগুলো তারা তৈরি করেছেন।  এবার সরকারি বুলডোজারের নিচে ধুলোয় মিশে গিয়েছে সব।
মধ্য কাশ্মীরের বদগাম জেলার কানিদাজান-সহ আশেপাশের এলাকাতেই মূলত আপেল গাছ নিধন শুরু হয়। গুর্জর এবং বাখরওয়াল, এই দুই মুসলিম যাযাবর গোষ্ঠীর সেখানে বাস করে। ১৯৯১ সালে তফসিলি উপজাতি হিসেবে স্বীকৃতিও পায় এই দুই গোষ্ঠী। তাদের আপেল বাগানেই নিধন যজ্ঞ চালিয়েছে বন দফতর।
জানা গিয়েছে, এলাকায় মাটির কুঁড়েঘর বানিয়ে এত দিন থাকছিলেন ওই দুই গোষ্ঠীর মানুষ। সেগুলিও গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
গত ১০ নভেম্বর, বনদফতরের ৫০ জন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সারা দিনে প্রায় ১০ হাজার আপেল গাছ কেটে ফেলা হয় উপত্যকায়।
কাশ্মীরে আপেল বাগানগুলি বন দফতরের জমির ওপর তৈরি বলে দাবি সরকারের। যদিও সাত পুরুষ ধরে সেখানে আপেল চাষ করে আসছেন গুর্জর এবং বাখরওয়ালরা। শুধু এই গুর্জর এবং বাখরওয়ালরাই নন, দেশের ১০ লক্ষের বেশি তফসিলি উপজাতি এবং বনবাসীরা বন অধিকার আইন ভোগ করেন। অর্থাৎ বনাঞ্চলে বসবাসের অধিকার যেমন রয়েছে তাদের, তেমনই সেখানে বসবাসের অধিকারও রয়েছে তাদেরই। কাগজে কলমে ওই জমির উপর মালিকানাও ভোগ করেন তারা।

Related articles

রাজ্যের নতুন সিইও নীলম মীনা, বিজ্ঞপ্তি জারি নির্বাচন কমিশনের 

রাজ্যের নতুন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক বা সিইও হিসেবে নীলম মীনার নাম ঘোষণা করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। সোমবার কমিশনের...

CRPF-এর সামনেই মহিলাকে সপাটে চড় নিউটাউন থানার পুলিশ আধিকারিকের!

ক্ষমতার পালাবদলের পরেই ঔদ্ধত্য রাজ্যের পুলিশের (State Police)! অভিযোগ, নিউটাউনের (New Town) সবুজপল্লিতে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আনতে এক মহিলাকে...

মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ কিংবদন্তী ধর্মেন্দ্রকে, রাষ্ট্রপতির হাত থেকে চোখের জলে সম্মান নিলেন হেমা

গতবছর কেন্দ্রীয় সরকার পদ্মশ্রী প্রাপকদের নাম ঘোষণা করেছিল এবং মরণোত্তর পদ্মবিভূষণ দেওয়া হয়েছে অভিনেতা ধর্মেন্দ্রকে। এবার দিল্লিতে তাঁর...

নামে ‘হোল্ডিং সেন্টার’, আদতে ‘ডিটেনশন সেন্টার’! বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের

মুখ্যমন্ত্রী ও ওঁর প্রশাসন মুখে একে যতই ভাল নামে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ (Holding Centre) বলুক না কেন, এটা ‘ডিটেনশন...