Saturday, May 16, 2026

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টি নিয়োগে অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত UGC-র

Date:

Share post:

কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাকাল্টি নিয়োগের ক্ষেত্রে নয়া নির্দেশিকা জারি UGC-র। Phd-র মতো শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও যে কোনও ক্ষেত্রে একজন বিশিষ্ট পেশাদার দেশের যে কোনও কলেজ (College) বা বিশ্ববিদ্যালয়ে (University) ফ্যাকাল্টি হিসেবে কাজের জন্য যোগ্য হতে পারেন। এই পদের নাম ‘প্রফেসর অফ প্র্যাকটিস’।

*কী যোগ্যতা প্রয়োজন ‘প্রফেসর অফ প্র্যাকটিস’ হতে-*

একজন ব্যক্তিকে ‘বিশেষজ্ঞ’ হতে হবে
তাঁর পেশায় অসাধারণ অবদান রাখতে হবে।
কমপক্ষে ১৫ বছরের চাকরির অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

এই পদের জন্য কোনও আনুষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতার প্রয়োজন নেই। প্রযুক্তি, বিজ্ঞান, সাহিত্য, সামাজিক বিজ্ঞান, আইন, মিডিয়া, সশস্ত্র বাহিনী, চারুকলা- যে কোনও ক্ষেত্রের পেশাদারদের নিয়োগ করা হবে।

কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট শিক্ষক পদের ১০ শতাংশে ‘প্রফেসর অফ প্র্যাকটিস’ নিয়োগ করা যাবে। সর্বোচ্চ তিন বছরের জন্য এই নিয়োগে কোনও প্রবেশিকা পরীক্ষা নেওয়া হবে না। বিশেষ ক্ষেত্রে কর্মজীবন এক বছর বাড়ানো যাবে। শিক্ষকদের বেতনের দেবে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।

এরই সঙ্গে পড়ুয়ারা চাইলে দু’টি পাঠ্যক্রম বা অ্যাকাডেমিক প্রোগ্রাম একসঙ্গে পড়তে পারেন সে বিষয়ে কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে নির্দেশ দিয়েছে উচ্চ শিক্ষার নিয়ন্ত্রক বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করে কিছু পাঠ্যক্রম তৈরি করতেও বলা হয়েছে। জাতীয় শিক্ষানীতি অনুযায়ী, শিল্প ক্ষেত্র এবং বাস্তবের মধ্যে পড়ুয়াদের যোগাযোগ তৈরির জন্যই এই উদ্যোগ ইউজিসির।

আরও পড়ুন:La Ganeshan: হৃদযন্ত্রে বাড়ছে সমস্যা, হার্টে বসতে পারে স্টেন্ট 

Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...