Saturday, May 9, 2026

দুবাইয়ে বাংলা-আরবি সংস্কৃতির সেতুবন্ধনে রবীন্দ্রনাথ

Date:

Share post:


কুণাল ঘোষ
মুখ্যমন্ত্রীর সফরসঙ্গী

দুবাই: দুবাই শিল্প সম্মেলনের শেষে প্রবাসীদের অনুষ্ঠানে যোগ দিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে ধরা পড়ল বাংলা আর দুবাইয়ের সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের ছবি। প্রবাসীদের ঘরে ফেরার ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানের শুরুতেই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানের আরবি অনুবাদ মঞ্চস্থ করেন গায়ক জয় চক্রবর্তী। কবিগুরুর সৃষ্টি ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে’ বাংলা এবং আরবি ভাষায় পরিবেশিত হয়। দর্শকাসনে মুখ্যমন্ত্রী গলাও মেলান। এরপর ‘আলোকের এই ঝর্ণা ধারায় ধুইয়ে দাও’-এর সঙ্গে তাল মেলান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গানটি গাওয়া হয় দুই ভাষাতেই। গানের শেষে নিজে ডেকে গায়কের সঙ্গে কথা বলেন মমতা। নিজের সঙ্গীতপ্রীতির কথাও জানান।

প্রবাসীদের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলা অনেক বদলে গিয়েছে। তাই চাইব, যাঁরা প্রবাসে আছেন সেইসব বাঙালিরা বাংলায় ফিরুন। অনুষ্ঠানে এদিন দুই সংস্কৃতির মিলনে যেন সেতু বাঁধলেন বিশ্বকবি।

সংস্কৃতিমনস্ক মুখ্যমন্ত্রীকে যেমন বিভিন্ন সময়ে বাংলার শিল্পীদের মাঝে দেখা যায়, এদিন প্রবাসের অনুষ্ঠানেও তেমন করেই মঞ্চ মাতিয়ে দিলেন তিনি। বাংলার গান, দেশাত্মবোধক গান শোনা গেল তাঁর কণ্ঠে। মুখ্যমন্ত্রীকে এত ঘরোয়াভাবে পেয়ে আপ্লুত দুবাইয়ের বাঙালিরা। সমাপ্তি সঙ্গীত পরিবেশন করেন সুদীপ রায়। সেখানে রবি ঠাকুরের ‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ গানে মাইক্রোফোন হাতে কণ্ঠ মেলান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

আরও পড়ুন- মনিপুর ইস্যুতে রাজপথে প্র.তিবাদ তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের

Related articles

১ আসনে ঝুলে তামিলনাড়ুর ভবিষ্যৎ! শনিবার বিজয়ের শপথের সম্ভাবনা ক্ষীণ

তিনি জিতেছেন সংখ্যা গরিষ্ঠ আসন। কিন্তু ম্যাজিক ফিগার ছুঁতে না পারায় এবার দুই বিধায়ক থাকা দলেরও ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার...

৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্য: সুপ্রিম-নির্দেশে সমাধান

রাজ্যের ক্ষমতার পালাবদলের সঙ্গে যে দ্বিরাচিতা কেন্দ্রের বিজেপি সরকার বাংলার সঙ্গে এত কাল করে এসেছে, তা আরও স্পষ্ট...

IPL: দিল্লির বিরুদ্ধে দাপুটে জয়, প্লে অফের আশা টিকিয়ে রাখল কেকেআর

  আইপিএল (IPL) প্লে অফের আশা জিইয়ে রাখল কেকেআর(KKR)।শুক্রবার রাজধানীতে দিল্লি ক্যাপিটালসের মুখোমুখি হয়েছিল নাইট ব্রিগেড । এই ম্যাচে...

লাল থেকে গেরুয়া! ভোল বদল রাইটার্স বিল্ডিংয়ের

রাজ্যে পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে রাজ্যের এক এক ঐতিহ্যবাহী এলাকা বদলে ফেলছে বিজেপির প্রশাসন, তার আরও এক নজির...