Saturday, May 16, 2026

কৃত্রিম বৃষ্টিই প্রয়োজন, কেন্দ্রের কাছে অনুমতি চাইল দিল্লির সরকার

Date:

Share post:

দূষণের গোলকধাঁধায় জেরবার রাজধানী দিল্লি (Delhi)। আদালতের কড়া কড়া বার্তা, দিল্লির সরকারের পাশাপাশি কেন্দ্রের তৎপরতার চেষ্টা সত্ত্বেও নিয়ন্ত্রণের বাইরে দূষণ। এবার কৃত্রিম বৃষ্টিপাতের (artificial rain) পরিকল্পনা করে অনুমতির জন্য কেন্দ্রকে চিঠি দিল দিল্লির আপ সরকার (AAP Government)। সেই সঙ্গে কেন্দ্রের পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকে (Bhupendra Yadav) জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডাকারও আবেদন জানালেন দিল্লির পরিবেশ মন্ত্রী গোপাল রাই (Gopal Rai)।

দিল্লিতে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন জায়গায় দূষণ কমাতে অ্যান্টি-স্মগ মিস্ট (anti-smog msit) ব্যবহার করা হয়েছে। লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা (LG V K Saxena) ইতিমধ্যেই জানিয়েছেন সেই পদ্ধতি যথেষ্ট কার্যকর ভূমিকা নিয়েছে সেই সব এলাকায়। সেই পদ্ধতি আরও বিভিন্ন জায়গায় ব্যবহার করারও বার্তা দিয়েছিল দিল্লির সরকার। কিন্তু খুব দ্রুত খারাপ হচ্ছে দিল্লির বায়ুদূষণের পরিস্থিতি। ফলে এই মুহূর্তে কৃত্রিম বৃষ্টি এই মুহূর্তের সবথেকে বড় প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে দাবি দিল্লির পরিবেশ মন্ত্রী গোপাল রাইয়ের (Gopal Rai)। তিনি আরও দাবি করেন, সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রের সরকারকে দূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছিল দিল্লির সরকার। সেই সময় থেকে তাঁরা নীরব থেকেছেন। কিন্তু এখন আর চুপ করে থাকার সময় নেই।

অ্যান্টি-স্মগ মিস্ট (anti-smog mist) প্রয়োগে সাফল্য পেয়ে এবার কৃত্রিম বৃষ্টির পথে দিল্লির প্রশাসন। কৃত্রিম মেঘ (cloud seeding) তৈরি করে এই কৃত্রিম বৃষ্টি আনা সম্ভব বলে জানানো হয়েছে দিল্লির তরফে। এর ফলে দূষিত বায়ু ধুয়ে গিয়ে পরিবেশ শুদ্ধ হবে। তাতে বায়ু দূষণের মাত্রাও কমবে বলে দাবি পরিবেশ মন্ত্রকের। মরুশহর দুবাইতে গত এক দশক ধরে কৃত্রিম মেঘ তৈরি করে এভাবেই কৃত্রিম বৃষ্টি সৃষ্টি করা হয়েছে। যদিও সেখানে এত দীর্ঘ সময় ধরে এই প্রক্রিয়া চালানোর কারণে বন্যাও হয়েছে।

Related articles

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...

বিজেপির পুরস্কার: শমীক এবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী? রাজ্য সভানেত্রী হতে পারেন লকেট!

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল। তৃণমূলের থেকে শাসনভার বিজেপির হাতে। আর মুখ্যমন্ত্রী ও পাঁচজন মন্ত্রী এবং বিধায়কদের শপথগ্রহণ হওয়ার পরেই...